সাকা-মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » অপরাধ ও আইন

সাকা-মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসিতে ঝুলানো হল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদকে। আজ রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে ফাঁসির মাধ্যমে তাদেরকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করা হয়।

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ

রায় কার্যকরের আগে রীতি অনুসারে ওই দুই অপরাধীর পরিবারের সদস্যদেরকে শেষ দেখার জন্য কেন্দ্রীয় কারাগারে আসতে বলা হয়। দুই পরিবারের সদস্যরা রাতে জেলখানায় আসেন। প্রথমে সাকা চৌধুরীর পরিবার তার সঙ্গে সাক্ষাত করেন। তারা প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা কারাগারে কাটান। পরে মুজাহিদ পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে সাক্ষাত করেন। তারা প্রায় এক ঘণ্টা কারাগারে ছিলেন।

গত ১৮ নভেম্বর সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের করা রিভিউ আবেদন (আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনঃবিবেচনা) খারিজ করে দিলে তাদের ফাঁসি কেবল সময়ের ব্যাপার হয়ে উঠে।

দুপুরে সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের করা প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হয়। রাতে রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে জানানো হয় তিনি (রাষ্ট্রপতি) আবেদন দুটি নাকচ করেছেন। এরপর পরই নিশ্চিত হয়ে যায়, এক দুদিনের মধ্যেই ফাঁসি কার্যকরের বিষয়।

রাত ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসান কারা ফটকের সামনে সাংবাদিকদের জানান, শনিবার রাতেই মানবতাবিরোধী দুই অপরাধীর ফাঁসি কার্যকর করা হবে।

মারুফ হাসান বলেন, পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পর লাশ গ্রামের বাড়িতে দাফনের জন্য পাঠানো হবে।

শনিবার সকাল থেকেই কার্যত ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি নিতে থাকে কারা কর্তৃপক্ষ। এর জন্য জল্লাদকে প্রস্তুত করা হয়। প্রস্তুত করা হয় ফাঁসির মঞ্চ।

নিয়ম অনুযায়ী ফাঁসির রায় কার্যকরের জন্য দুজন ম্যাজিস্ট্রেট, আইজি (প্রিজন), ঢাকা জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন রাতে কারাগারের ভেতর ঢুকেন।

অন্যদিকে সন্ধ্যার পর পরই সাকা চৌধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদের গ্রামের বাড়িতে তাদের দাফনের প্রস্তুতি শুরু হয়।

এই বিভাগের আরো সংবাদ