আয়কর মেলার দ্বিতীয় দিনে উপচেপড়া ভিড়
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

আয়কর মেলার দ্বিতীয় দিনে উপচেপড়া ভিড়

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত শীতকালীন আয়কর মেলার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার করদাতাদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। মেলায় আয়কর রিটার্ন জমা ও প্রাপ্তি রশিদ গ্রহণ, ই-টিআইএন নিবন্ধন ও পুনঃনিবন্ধনের জন্য বুথগুলোতে ছিল করদাতাদের উপচেপড়া ভিড়।

ছবি মহুবার

ছবি মহুবার

তবে মেলায় ব্যাংকের কোনো বুথ না থাকায় বিড়ম্বনায় পড়ে করদাতারা। মেলা কর্তৃপক্ষ জানায়, মেলায় ব্যাংকের বুথ না থাকলে ক্রস চেকের মাধ্যমে প্রদেয় কর দিতে পারছে করদাতারা।

শুক্রবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে তিন দিনব্যাপী শীতকালীন আয়কর মেলা ঘুরে দেখা গেছে, রিটার্ন জমা পড়ছে বেশি। ই-টিআইএন নিবন্ধন ও পুনঃনিবন্ধনের বুথগুলোতেও ছিল করদাতাদের সমাগম।

অফিসার ক্লাবে আয়কর মেলায় কথা হয় ইমা বেগমের সঙ্গে। তিনি অর্থসূচককে বলেন, কর অফিসে গিয়ে রিটার্ণ জমা দিবো দিবো করে আর দেওয়া হয়নি। পরে জানলাম আয়কর মেলা হচ্ছে। তাই দেরি না করে আজ মেলায় এসে রিটার্ন জমা দিলাম। অনেক কম সময়ের মধ্যে কোনো রকমের ভোগান্তি ছাড়াই আমি রিটার্ন জমা দিয়েছি।

মৌচাক এলাকার বেসরকারি কর্মকর্তা আকবর হোসেন বলেন, আমি এবার প্রথম রিটার্ন জমা দিতে এসেছি। মেলার তথ্য ও সেবা কেন্দ্র থেকে সহযোগিতা দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই রিটার্ন জমা দিয়েছি।

কর অঞ্চল ২ এর মোস্তাফা কামাল বলেন, আমি সকালে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য মেলায় আসি। রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় জানতে পারলাম এখানে ব্যাংকের বুথ নেই। কর কর্মকর্তারা বলছেন ক্রস চেকের মাধ্যমে ট্যাক্স দেওয়া যাবে। কিন্তু আমি তো সঙ্গে করে চেক নিয়ে আসিনি। তাই পরে আবার বাসায় গিয়ে চেক নিয়ে এসে বিকেলে রিটার্ন জমা দেই।

মেলায় আয়কর রিটার্ন জমা দিতে এসেও ফেরত যান পল্লবীর প্রফেসর আজিজুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, হজ্জে থাকায় রিটার্ন জমা দেওয়া হয়নি। মেলায় ব্যাংকের বুথ না থাকায় ট্যাক্স জমা দিতে পারিনি। তাই রিটার্ন জমা দেওয়া সম্ভব হয়। এখন আবার কাল চেক নিয়ে আসবে; এটা একটা চরম ভোগান্তি।

এনবিআর সদস্য মো. আবদুর রাজ্জাক অর্থসূচককে বলেন, এটি খণ্ডকালীন মেলা। আগের মেলায় আমরা সব সার্ভিস দিয়েছি। এখানে মূলত যাদের সবকিছু ঠিক, তারা এসে সহজেই যাতে রিটার্ন জমা দিতে পারে এজন্য এই মেলা। আর ব্যাংকের বুথ না থাকলেও করদাতাদের সুবিধার জন্য আমরা ক্রস্ চেকের মাধ্যমে কর নেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।

তিনি আরও বলেন, মেলার দ্বিতীয় দিনেও করদাতাদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। আশা করছি, দিন শেষে ১০-১২ হাজার রিটার্ন জমা পড়বে।

প্রসঙ্গত, মেলায় ১৪টি কর অঞ্চলের ২৮টি বুথ, দুইটি ই-টিআইএন, একটি এলটিইউ, একটি কর জরিপ কেন্দ্র ও হেল্প ডেস্ক রয়েছে।

ঢাকার দুইটি স্থানে (অফিসার্স ক্লাব ও উত্তরা) এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে একযোগে এ মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলা শেষ হবে আগামীকাল শনিবার।

অর্থসূচক/মাইদুল

এই বিভাগের আরো সংবাদ