মেলায় ভোগান্তি কাটাতে হেল্প ডেস্ক বসাচ্ছে এনবিআর
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

মেলায় ভোগান্তি কাটাতে হেল্প ডেস্ক বসাচ্ছে এনবিআর

হয়রানি ও ভোগান্তি ছাড়াই করদাতাদের রিটার্ন জমা দেওয়ার লক্ষে দেশে প্রথমবারের মতো শীতকালীন আয়কর মেলা আয়োজন করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। কিন্তু হেল্প ডেস্ক না থাকায় মেলায় আয়কর রিটার্ণ জমা ও প্রাপ্তি রশিদ গ্রহণ, ই-টিআইএন নিবন্ধন ও পুনঃ নিবন্ধনে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে করদাতারা। আর এ ভোগান্তি কাটাতে শিগগির উদ্যোগ নিচ্ছে এনবিআর।

ছবি মহুবার

ছবি মহুবার

এনবিআররের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মু’মেন অর্থসূচককে বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আগামীকাল থেকে মেলায় হেল্প ডেক্স স্থাপন করা হবে। কারদাতারা যাতে কোনো রকমের ভোগান্তিতে না পড়ে তার ব্যবস্থা করা হবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে তিন দিনব্যাপী শীতকালীন আয়কর মেলা ঘুরে দেখা যায়, রিটার্ন জমা বুথে করদাতাদের ব্যাপক ভিড়। বুথে সংখ্যা ও কর্মকর্তার সংখ্যা কম থাকায় রিটার্ণ জমা নিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্মকর্তারা। এছাড়া মেলায় হেল্প ডেক্স না থাকায় করদাতারা এক বুথ থেকে অন্য বুথে ঘুরে ঘুরে নাজেহাল হচ্ছেন।

মেলায় ১৪টি কর অঞ্চলের ২৮টি রিটার্ন দাখিল বুথ, ২টি ই-টিআইএন বুথ, একটি জরিপ ও একটি বৃহৎ এলটিইউ বুথসহ মোট ৩২টি বুথ রয়েছে।

অফিসার্স ক্লাবের মেলায় প্রাঙ্গনে কথা মোবাইল অপারেট বাংলালিংকের কর্মচারি প্রতিবন্ধী লিটন বারুরী অর্থসূচককে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মেলায় আসলাম রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য। কিন্তু এখানো কোনো হেল্প ডেক্স না থাকায় কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। অনেক ঘুরাঘুরি করে এক রোভার স্কাউটের সহায়তায় রিটার্ন জমা দেই।

মেলায় হেল্প ডেক্স স্থাপন, প্রতিবন্ধী, সিনিয়র সিটিসেন ও নারী করদাতাদের জন্য আলাদা বুথের ব্যবস্থা থাকলে হয়রানি ও ভোগান্তি কম হত বলে উল্লেখ করেন।

নতুন করদাতা ইয়াসিম বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে অর্থসূচককে বলেন, আমি এবারই প্রথম কর দিতে মেলায় এসেছি। আমি জানি না কোথায় কিভাবে রিটার্ন জমা দিব। নিজের কষ্টে উপার্জিত অর্থের ট্যাক্স নিবে সরকার। আর ট্যাক্স নেওয়ার সময় সামান্য সহায়তা করবে না- এ কেমন কথা ভাই।

মনিরুল ইসলাম নামের একজন করদাতা অভিযোগের সুরে বলেন, সকাল ১১টায় রিটার্ন জমা দিয়েছি; বিকেল সাড়ে ৩ টায়ও রিসিট (প্রাপ্তি স্বীকারপত্র) পাইনি। মেলায় আসলাম দ্রুত সহজে রিটার্ন জমা দিব; কিন্তু এখানেও চরম ভোগান্তি।

বুথ ও লোক সংখ্যা (এনবিআর কর্মকর্তা) অনেক কম থাকায় সময় বেশি লাগছে। বুথ ও লোক সংখ্যা বাড়ালে সাথে সাথে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাওয়া যেত- যোগ করেন মনিরুল।

প্রসঙ্গত, ঢাকায় দুইটি (অফিসার্স ক্লাব ও উত্তরা), চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল বিভাগসহ আটটি স্পটে এক যোগে এ মেলা হচ্ছে। মেলা চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত।

অর্থসূচক/মাইদুল

এই বিভাগের আরো সংবাদ