দাবি আদায়ে মহাসমাবেশ সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদের
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » জাতীয়

দাবি আদায়ে মহাসমাবেশ সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদের

যোগ্যতা এক হওয়া সত্ত্বেও শুধু নন-ক্যাডার হওয়ায় এ পদের কর্মকর্তারা বেতন ও চাকরিগত বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদের মানবন্ধন। ছবি সংগৃহীত

সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদের মানবন্ধন। ছবি সংগৃহীত

তাই আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বেতন ও চাকরিগত বৈষম্যসহ  অন্য দাবি না মানলে ৪ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদ (বাসসকপ)।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই বৈষম্য নিরসনের দাবিতে এক মানব্বন্ধনের আয়োজন করা হয়।

বাসসকপ সভাপতি শফিউল আজম বলেন, “নন ক্যাডার চাকুরিজীবীরা ৩২ বছর সমযোগ্যতায় একই পদে চাকুরি করেও কোনো পদোন্নতি পান না। এমন কি বেতন স্কেলেও কোনো পরিবর্তন হয় না।” তাই এই বেতন বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত ১৬টি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন বিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে বলে দাবি জানান তিনি।

এসময় সংগঠনের মহাসচিব জিন্নাত আলী বিশ্বাস বলেন, ‘ইতোমধ্যে সরকার ঘোষিত পে স্কেলেও ক্যাড্যার এবং নন ক্যাডারদের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য সমস্যা সমাধানের কোনো স্পষ্টতা নেই।’ এতে সমস্যার সমাধান না করে একই বেতন ধাপে চাকুরি জীবন শেষ করে অবসরে যেতে বাধ্য হবেন ননক্যাডার কর্মকর্তারা বলেও জানান তিনি।

মানব্বন্ধন থেকে দাবি তুলে ধরে বলা হয়, ক্যাডার কর্মকর্তাদের ন্যায় নন ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদন্নোতি নিশ্চিত করতে হবে; সর্বস্তরে সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল প্রথা পূর্বের ন্যায় বহাল রাখতে হবে; ট্রেজারী রুলের বিধি -১৩ এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে উপজেলা পর্যায়ে ১৬টি বিভাগকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অধীনে ন্যাস্ত করার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ প্রমুখ।

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ