পুঁজিবাজারের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে অর্থমন্ত্রীর আশ্বাস
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পুঁজিবাজার
কালই শুরু হবে প্রক্রিয়া

পুঁজিবাজারের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে অর্থমন্ত্রীর আশ্বাস

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত পুঁজিবাজারের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তার সরকার বাজারকে গতিশীল দেখতে চায়।

FM-Lali

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সঙ্গে করমর্দন করছেন ডিএসইর সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী

আজ মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী এবং ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ছায়েদুর রহমানের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে তিনি এ আশ্বাস দেন। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আজ দুপুরে সচিবালয়ে তিনি তাদের সঙ্গে এ বৈঠক করেন। বৈঠকে বাজার গতিশীলতার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন আহমেদ রশিদ লালী ও ছায়েদুর রহমান।

সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেন, কী কারণে বাজারে এমন দরপতন হচ্ছে তা জানতে তিনি অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করছিলেন। গতকাল সোমবার বিএসইসির চেয়ারম্যান তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে এসেছিলেন। তখন তিনি এ বিষয়ে কিছু ধারণা পেয়েছে। আজ তাদের (আহমেদ রশীদ লালী ও ছায়েদুর রহমান) সঙ্গে আলোচনা থেকে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছেন।

অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, বুধবার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থার বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন। তিনি আশা করেন বিদ্যমান অনেক সমস্যারই সমাধান করা সম্ভব হবে।

বৈঠক সম্পর্কে ডিএসইর সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ রশীদ অর্থসূচককে বলেন, অনেক আন্তরিক ও ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, তিনি এসব সমস্যার বিষয়ে বিস্তারিত জানতেন না। এখন জেনেছেন। সমস্যার সমাধানে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ছায়েদুর রহমান অর্থসূচককে বলেন, আমরা খুবই আশাবাদী। অর্থমন্ত্রী বিষয়গুলোকে সিরিয়াসলি নিয়েছেন। সমস্যাগুলোর সমাধানে অবশ্যই তিনি ব্যবস্থা নেবেন বলে আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন।

উল্লেখ, বেশ কিছুদিন ধরে পুঁজিবাজারে টানা দর পতন চলছে। গত এক মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে প্রায় ৪শ পয়েন্ট। রোববার এ সূচক কমে ৬ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে চলে আসে। সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেন।

বাজারের বর্তমান নাজুক অবস্থার জন্য পুঁজিবাজারে বিভিন্ন ব্যাংকের বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের চাপকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। ব্যাংক কোম্পানি আইনের সর্বশেষ সংশোধনী অনুসারে আগামী বছরের ২১ জুলাইয়ের মধ্যে এ বিনিয়োগ সমন্বয় করতে হবে। অন্যদিকে আইনের সংশোধনীতে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ গণনার সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনায় এদের বিনিয়োগ এখতিয়ার কমে গেছে।

গত সপ্তাহে ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানিভিত্তিক ৩০ ব্রোকারহাউজের প্রধান নির্বাহীরা বৈঠক করে এ বিষয়ে সুপারিশমালা প্রণয়ন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কমিশনে জমা দেন। এতে সমন্বয়ের সময়সীমা ২০২০ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানানো হয়।

সোমবার বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিএসইসি শীর্ষ কিছু ব্রোকারহাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে। এ বৈঠকেও প্রধান সমস্যা হিসেবে বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের ইস্যুটি উঠে আসে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ