এসডিজি বাস্তবায়নে নিজস্ব সম্পদ ব্যবহারের পরামর্শ সিপিডির
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

এসডিজি বাস্তবায়নে নিজস্ব সম্পদ ব্যবহারের পরামর্শ সিপিডির

বৈদেশিক সহায়তা নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ দিয়েই জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন করতে হবে। তাই সরকারকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের দিকে বেশি মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)।

আজ শনিবার মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘ন্যাশনাল লেভেল ইমপ্লিমেন্টেশন চ্যালেঞ্জ অব ২০৩০ এজেন্ডা’ শীর্ষক এক সংলাপে সিপিডির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এই পরামর্শ দেন।

CPD

শনিবার মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘ন্যাশনাল লেভেল ইমপ্লিমেন্টেশন চ্যালেঞ্জ অব ২০৩০ এজেন্ডা’ শীর্ষক সংলাপে সিপিডির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। ছবি: মহুবার রহমান

তিনি বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে প্রতি বছর ৩৩০-৪৫০ হাজার কোটি ডলার প্রয়োজন। এসডিজি বাস্তবায়নে অর্থায়নের কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি উন্নত দেশগুলো। এছাড়া এমডিজি বাস্তবায়নে তেমন বৈদেশিক সহায়তা পাওয়া যায়নি। তাই এসডিজি বাস্তবায়নে করতে হবে অভ্যন্তরীণ সম্পদ দিয়ে। এজন্য অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের দিকে বেশি মনোযোগী হতে হবে সরকারকে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের ক্ষেত্রে নতুন নতুন খাত খোঁজে বের করতে হবে। পাশাপাশি চলমান খাতগুলো থেকে বেশি সম্পদ আহরণের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে।

অস্বচ্ছতা ও দুর্নীতি দূর করা না গেলে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ করা কষ্টকর হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সিপিডির ফেলো দেবপ্রিয় আরও বলেন, এসডিজি অর্জনে সরকারের প্রধান কাজ হবে বৈশ্বিক উন্নয়ন কর্মসূচিকে জাতীয় পরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় করা এবং কোন প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে এসডিজি বাস্তবায়ন হবে- তা নির্ধারণ করা। সেইসঙ্গে সম্পদের প্রাপ্যতা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাও জরুরি।

এসডিজি বাস্তবায়নের পুরো বিষয়টি তদারকির জন্য প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নেতৃত্বে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠনের সুপারিশ করেন তিনি।

ব্র্যাকের চেয়ারপার্সন স্যার ফজলে হাসান আবেদের সভাপতিত্বে সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ.হ.ম. মুস্তফা কামাল, সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইদুর রহমান, ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড.এ.বি.এম. মির্জা মো. আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।

এমআই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ