পর্যটন: ৫ শতাধিক বৌদ্ধ স্থাপনা আকর্ষণীয় করার উদ্যোগ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » ভ্রমণ

পর্যটন: ৫ শতাধিক বৌদ্ধ স্থাপনা আকর্ষণীয় করার উদ্যোগ

দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর মতো বৌদ্ধ স্থাপনাগুলোকে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে চায় বাংলাদেশ সরকার।

বৌদ্ধ ধর্মের নানা ঐতিহ্য ও পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনকে পর্যটনে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে ঢাকায় আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরুর আগে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এ কথা জানান।

রামুর বৌদ্ধ মন্দির। ছবি সংগৃহীত

রামুর বৌদ্ধ মন্দির। ছবি সংগৃহীত

তিনি বলেন, লুম্বিনি বা বুদ্ধগয়ার মতো বাংলাদেশের অনেক জায়গায় বৌদ্ধ স্থাপনা আছে, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং অন্যান্য ধর্মের পর্যটকদের কাছেও এগুলো আকর্ষণীয়। ওই স্থাপনাগুলো সবার জন্য আকর্ষণীয়ভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মেনন বলেন, সোমবিহার, বসুবিহার, শালবন, ময়নামতির মতো ৫০০ এর বেশি স্থাপনা রয়েছে বাংলাদেশে। সবার কাছে এগুলোকে তুলে ধরে দেশকে বৌদ্ধদের জন্য আকর্ষণীয় কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছি। এই উদ্যোগ সফল হলে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্র হবে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, এই সম্মেলনে বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন স্থাপনার একটি মানচিত্র তৈরি করা হবে। বগুড়ার মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর, ময়নামতিতে ওই মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চলছে।

পর্যটনমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ পশ্চিম এশিয়ার অনেক দেশ ইতোমধ্যে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে নয়, বরং সহযোগিতার জন্যই আমাদের দেশের বৌদ্ধ স্থাপনাগুলোকে আকর্ষণীয় করা হবে। এতে যেসব পর্যটক বা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষ আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে ভ্রমণে আসবেন, তারা বাংলাদেশেও ভ্রমণ করবেন। বৌদ্ধ স্থাপনাগুলোকে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করার পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে বাংলাদেশে পর্যটন অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব।

জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক সংস্থা UNWTO এবং বাংলাদেশ সরকারের আয়োজনে দুদিন ব্যাপী এই সম্মেলনে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি বৌদ্ধ প্রধান দেশসহ মোট ১২টি দেশ অংশ নিচ্ছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ