চিটাগাং সিমেন্ট মামলার আংশিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পুঁজিবাজার

চিটাগাং সিমেন্ট মামলার আংশিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ

court

আদালত-প্রতীকী ছবি

চিটাগাং সিমেন্ট ক্লিংকার গ্রাইন্ডিং কোম্পানি লিমিটেডের (বর্তমানে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট) শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলায় আজ রোববার আংশিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। আগামীকাল সোমবার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের বাকি অংশ শেষ হবে। পুঁজিবাজার সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারপতি হুমায়ন কবীর এই যুক্তিতর্ক গ্রহণ করেন।

আজ রোববার বেলা ১১ টা থেকে মামলাটির চুড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। মাঝে ৫ মিনিটের বিরতি দিয়ে যা চলে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত। এরপর আবার বিকেল সোয়া ৩টা থেকে শুরু হয়ে চলে প্রায় ৫টা পর্যন্ত।

এর মধ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী খুরশীদ আলম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। আসামি আবু তৈয়বের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। এরপর বিকেল সোয়া ৩ টার সময়ে শুরু হয় আসামি মোঃ রকিবুর রহমান ও এ.এস. শহুদুল হক বুলবুলের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন। এ দুজনের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মেদ মোহসেন রশিদ।

তবে তাদের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করতে পারেননি তিনি; যা আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে আসামি এ.এস. শহুদুল হক বুলবুল কয়েকবার ঘুমিয়ে পড়েন।

মহানগর দায়রা জজ আদালতে সহকারি পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান দুলাল উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে আইনজীবী মাসুদ রানা খান অর্থসূচককে বলেন, আজ মামলার আংশিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। যেখানে উভয়পক্ষ তাদের অবস্থান আলাদাভাবে ব্যাখা করেছেন। আগামীকাল সোমবার বাকি অংশ উপস্থাপন শেষ হবে।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর মামলার সাফাই সাক্ষী গ্রহণ শেষ হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সভাপতি ও চিটাগাং সিমেন্ট লিমিটেডের সাবেক পরিচালক মোঃ রকিবুর রহমান, ডিএসই ও চট্টগ্রাম সিমেন্টের সাবেক পরিচালক এ.এস. শহুদুল হক বুলবুল এবং টিকে গ্রুপের আবু তৈয়ব।

উল্লেখ, ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে ধসের পর গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে বিএসইসির পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন সাবেক নির্বাহী পরিচালক এমএ রশিদ খান।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের জুলাই মাস থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে চিটাগাং সিমেন্টের ১০০ টাকার ফেস ভ্যালুর মোট ১২ লাখ ৯০ হাজার শেয়ার ছিল। প্রতিটি শেয়ারের বুক ভ্যালু ছিল ১৩৪ টাকা। আসামি দুজন ওই সময়ে অবৈধ ও প্রতারণামূলকভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়েছেন।

মামলা সূত্রে আরও জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ৩০ জুন কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের বাজার মূল্য ছিল ২ হাজার ৫৮৫ টাকা। কারসাজির মাধ্যমে ওই শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ানো হয়। এর ফলে প্রতিটি শেয়ারের দর ওই বছরের ৩১ জুলাই ৩ হাজার ৫২ টাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর ৩ হাজার ৭৪৭ টাকা, ৩১ অক্টোবর ৮ হাজার ৮৮২ টাকা এবং ১৬ নভেম্বর ১৫ হাজার ৬৯৪ টাকা পর্যন্ত ওঠে।

অর্থসূচক/এসইউএম/

এই বিভাগের আরো সংবাদ