জ্বর সর্দি কাশি কৃমি নাশে গোলমরিচ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লাইফস্টাইল

জ্বর সর্দি কাশি কৃমি নাশে গোলমরিচ

লতা জাতীয় উদ্ভিদ গোলমরিচ। যার ফলকে শুকিয়ে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে গোলমরিচে শুধু তরকারির স্বাদ বৃদ্ধিই করে না, ইহা রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিষেধকের ভূমিকাও রাখে। জ্বর, সর্দি, কাশি ও কৃমি নাশ ছাড়াও আরও অনেক রোগের ঔষুধ এই গোলমরিচ। জেনে নেওয়া যাক গোলমরিচের গুণাগুণ।

ছবি: সংগৃহিত

ছবি: সংগৃহিত

আর্য়ুবেদ মতে, গোলমরিচ কফ ও বায়ুনাশক, রুচি বৃদ্ধি করে, কৃমি নাশ করে। পানিতে এর গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে আমাশয়ে উপকার হয়। দাঁতের রোগের জন্য লবণ ও গোল মরিচ র্চূণ মিশিয়ে দাঁত মাজলে ভাল হয়। গরম দুধে গোলমরিচ আর চিনি মিশিয়ে খেলে সর্দিকাশি সারে। গোলমরিচ হজমে, জ্বরে, পেটে গ্যাস দূর করতে উপকারী।

গোলমরিচে যথেষ্ট পুষ্টিগুণ রয়েছে। এতে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’ ও ক্যালসিয়াম রয়েছে। খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম গোলমরিচে- প্রোটিন ১১.৫ গ্রাম, ফ্যাট ৬.৮ গ্রাম, শকর্রা ৮৯.২ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৮৬০ মি.গ্রাম, ফসফরাস-১৯৮ মি.গ্রা, আয়রণ-১৬.৮ মি.গ্রা, ভিটামিন ‘এ’১৮০০ আইইউ, ভিটামিন বি১-০.০৯ মি.গ্রা, ভিটামিন বি২-০১.৪ মি.গ্রা ও নিয়াসিন ১.৪ মি.গ্রাম। তবে এই পুষ্টিমান গোলমরিচের জাত ও উৎপাদনের স্থানের তারতম্যের জন্য কিছুটা পরিবতর্ন হতে পারে।

ছবি: সংগৃহিত

ছবি: সংগৃহিত

গোল মরিচ ফলটি গোলাকার, ৫ মিলিমিটার ব্যাসের, এবং পাকা অবস্থায় গাঢ় লাল বর্ণের হয়ে থাকে। এর মধ্যে ১টি মাত্র বিচি থাকে। গোল মরিচ গাছের আদি উৎস দক্ষিণ ভারত। পৃথিবীর উষ্ণ ও নিরক্ষীয় এলাকায় এটির চাষ হয়ে থাকে।

গোলমরিচের গুঁড়া পশ্চিমা (ইউরোপীয়) খাদ্যে মসলা হিসাবে ব্যবহার করা হয় প্রাচীন কাল থেকে। তবে ভারত বর্ষের মসলাধিক্য রান্নায় এটির ব্যবহার প্রচুর। এছাড়া ঔষধী গুণাগুণের জন্যেও এটি সমাদৃত। গোল মরিচে পাইপারিন নামের রাসায়নিক উপাদান রয়েছে, যা থেকে এর ঝাঁঝালো স্বাদটি এসেছে।
অর্থসূচক/এমএইচ

এই বিভাগের আরো সংবাদ