কিশোরগঞ্জের ৫ রাজাকারের বিচার শুরু
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » জাতীয়

কিশোরগঞ্জের ৫ রাজাকারের বিচার শুরু

ICT_Tribunal

ফাইল ছবি

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায়  কিশোরগঞ্জের পাঁচ ‘রাজাকারের’ বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগ গঠন করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হক নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল সোমবার পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য শুরুর জন্য ৪ নভেম্বর দিন ধার্য করে ট্রাইব্যুনাল।

এই পাঁচ আসামি হলেন- শামসুদ্দিন আহমেদ, গাজী মো. আব্দুল মান্নান, নাসির উদ্দিন আহমেদ ওরফে ক্যাপ্টেন এটিএম নাসির, মো. হাফিজ উদ্দিন ও মো. আজহারুল ইসলাম।

এই অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার শুরু হলো।

প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, আসামিদের মধ্যে গ্রেপ্তার  শামসুদ্দিন আহমেদ অভিযোগ গঠনের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা শুরু থেকেই পলাতক।

প্রসিকিউশনের পক্ষে অভিযোগ গঠনের শুনানিতে ছিলেন জেয়াদ আল-মালুম, সুলতান মাহমুদ সীমন ও রেজিয়া সুলতানা চমন।

অন্যদিকে আসামি শামসুদ্দিনের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আবদুস শুকুর খান।

গত ১০ মে এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। এরপর ১৩ মে অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।

সাত অভিযোগের মধ্যে রয়েছে

১৯৭১ সালের ১২ নভেম্বর দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ থানার বিদ্যানগর ও আয়লা গ্রামের মোট আট জনকে হত্যা ও একজনকে আহত করা। ১৩ নভেম্বর আয়লা গ্রামের মিয়া হোসেনকে হত্যা। একই উপজেলার মো. আব্দুল গফুরকে অপহরণ করে ২৬ সেপ্টেম্বর খুদির জঙ্গল ব্রিজে নিয়ে হত্যা। ২৩ অগাস্ট করিমগঞ্জ উপজেলা ডাকবাংলোতে শান্তি কমিটির কার্যালয়ে আতকাপাড়া গ্রামে মো. ফজলুর রহমান মাস্টারকে অপহরণ, নির্যাতন ও হত্যা। ৭ সেপ্টেম্বর রামনগর গ্রামের পরেশ চন্দ্র সরকারকে হত্যা। ২৫ অগাস্ট পূর্ব নবাইদ কালিপুর গ্রামে আবু বক্কর সিদ্দিক ও রূপালীকে অপহরণ করে নির্যাতন ও হত্যা। ৫ সেপ্টেম্বর আতকাপাড়া গ্রামে আক্রমণ করে ২০-২৫টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ।

এই বিভাগের আরো সংবাদ