এফআরএ পরিপালনের নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » ব্যাংক-বিমা

এফআরএ পরিপালনের নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং কার্যক্রমকে একটি সুনিয়ন্ত্রিত কাঠামোর আওতায় আনতে ব্যাংক-কোম্পানি আইনে সংযোজিত দু’টি নতুন উপ-ধারা যথাযথভাবে পরিপালনে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

Bangladesh Bank

ছবি সংগৃহীত

প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত উপধারা দুটির ১(ক) তে বলা হয়, ‘জনস্বার্থ সংস্থা’ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত যেকোনো ব্যাংকিং কোম্পানির কর্তব্য হবে তাদের আর্থিক বিবরণী উপস্থাপনের সময় ‌‍ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড এবং অডিটিং স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে প্রস্তুতকৃত নিরীক্ষকের প্রতিবেদনসহ প্রয়োজনীয় দলিলাদি উপস্থাপন করা।

উপধারার ১(খ) তে বলা হয়, ‘জনস্বার্থ সংস্থা’ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত কোনো প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপস্থাপিত আর্থিক বিবরণী বা অনুরূপ বিবরণী বা প্রতিবেদন গ্রহণ করা হবে না, যদি না তা তালিকাভুক্ত নিরীক্ষকের প্রতিবেদনসহ উপস্থাপিত হয়।

এতে আরও বলা হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইনে সংযোজিত নতুন এ ধারার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি নিরীক্ষা সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনা যাবে। এতে প্রতারণা ও কারসাজির হাত থেকে অনেকটাই রক্ষা পাওয়া যাবে।

নির্দেশনায় ব্যাংক-কোম্পানি আইনে সংযোজিত নতুন ধারার ব্যাখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে প্রতিষ্ঠানসমূহের ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং কার্যক্রমকে একটি সুনিয়ন্ত্রিত কাঠামোর আওতায় আনতে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্টের (এফআরএ) ৬০ ধারা বলে ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৩৮ ধারায় দু’টি নতুন উপ-ধারা সংযোজন করা হয়েছে। উক্ত উপ-ধারাদ্বয়ের নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতি ও পরিপালন নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

উল্লেখ, গত ৬ সেপ্টেম্বর জনস্বার্থে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং বিল-২০১৫ সংসদে পাস করা হয়। পরবর্তীতে ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে কার্যকর হয় এবং একই তারিখের বাংলাদেশ গেজেট অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। এই আইনের ৬০ ধারা বলে ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১ তে এই সংশোধনী আনা হয়।

এই বিভাগের আরো সংবাদ