৪০ এর নিচে সবজি নেই!
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পণ্যবাজার

৪০ এর নিচে সবজি নেই!

মামা সিম কত? ১৪০, বেগুন? ৮০, পেঁপে কত? ৪০। ৩৫ টাকা হইলে, এক কেজি দাও। না মামা, বাজারে এহন পেঁপেই হস্তা, এর নিচে কোনো সবজি পাইবেন না।

রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচাবাজারে এভাবেই কথোপকথোন হচ্ছিল ক্রেতা মাসুদ রানা ও সবজি বিক্রেতা মকবুল আলীর সাথে।

ছবি: সংগৃহিত

ছবি: সংগৃহিত

শুক্রবার শান্তিনগর কাঁচাবাজারসহ আশে-পাশের বেশকিছু খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি সবজির দামই বাড়তির দিকে।

বিক্রেতারা জানান, ঈদের সময় সবজির দাম কিছুটা কমলেও আবারো বাড়তে শুরু করেছে। সবজির মধ্যে বরবটি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, কাকরোল ৬০ থেকে ৬২ টাকা, টমেটো ১১০ থেকে ১১৫ টাকা, সিম ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা, গাজর ৯৫ থেকে ১০০ টাকা, পটল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, চাল কুমড়া ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, ঝিঙে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, বেগুন (কালো) ৮০ টাকা, (সাদা) ৬০ টাকা, শশা ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, মূলা ৫৬ থেকে ৬০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় প্রতিটি সবজিতেই বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। এছাড়া কাঁচামরিচের দামও চড়া। কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিদরে।

এ বিষয়ে সবজি বিক্রেতা মকবুল আলী অর্থসূচকে বলেন, “ঈদের সময় মানুষ শাক-সবজি কম খায়। তাই দাম একটু কম ছিল। তবে এখন আবার বাড়ছে। শীতের
সবজি বাজারে আসলে কিছুদিন পর দাম কমতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।”

তবে স্থিতিশীল রয়েছে পেঁয়াজ, রসুনসহ অন্যান্য মুদি পণ্যের দাম। পেঁয়াজ(দেশি) ৮০ টাকা, পাকিস্তানী ও মিশরীয় ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। রসুন (দেশি) ১০০ টাকা, ইন্ডিয়ান ১১০ থেকে ১২০ টাকা। আদা (চায়না) ৮০ টাকা, দেশি ১০০ টাকা, আলু ২৬ থেকে ২৮ টাকা।

মাছ মাংসের বাজার ঘুরে দেখা যায়, কিছুটা কম রয়েছে। পাকিস্তানি মুরগী প্রতি পিস ২২৫ থেকে ২৩০ টাকা, দেশি মোরগ এক কেজি ৩০০ টাকা, ব্রয়লার ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, গরুর মাংস ৪০০ টাকা, খাসি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা।

বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে ইলিশ ধরা বন্ধ রয়েছে। তাই অন্যান্য মাছের চাহিদা বাড়ছে। এছাড়া কোরবানির সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ায় মাছের চাহিদা আবারও বাড়ছে। তাই মাছের দাম একটু বাড়তি।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, রুই বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৪০০, কাতল ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা, শিং বড় ৮৫০ টাকা দরে।

ডিমের মধ্যে ব্রয়লার হালিপ্রতি ৩৫ টাকা, হাসের ডিম ৪৫টাকা। এছাড়া দেশি মুরগীর ডিম বিক্রি হচ্ছে হালিপ্রতি ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা দরে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ