৯ মণের ৮ মণই বিক্রি শেষ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

৯ মণের ৮ মণই বিক্রি শেষ

কুষ্টিয়ার মিরপুর থেকে ৯ মণ চিটাগুড় নিয়ে ভ্যানে করে রওনা হন মোহাম্মদ হাফিজুর শেখ। শনিবার সকাল ৮টায় রওনা হয়ে রোববার সকালে এসে পৌঁছান গাবতলী বাজারে। বাজারে এসে ২ ঘণ্টার মধ্যেই ৮ মণ চিটাগুড় বিক্রি হয়ে যায়।

ভ্যানে করে কুষ্টিয়া থেকে গাবতলী পশুর হাটে এসে চিটাগুড় বিক্রি করছেন মোহাম্মদ হাফিজুর শেখ। ছবি মহুবার রহমান।

ভ্যানে করে কুষ্টিয়া থেকে গাবতলী পশুর হাটে এসে চিটাগুড় বিক্রি করছেন মোহাম্মদ হাফিজুর শেখ। ছবি মহুবার রহমান।

কোরবানির ঈদ ঘিরে এমন সব মওসুমী ব্যবসার আবির্ভাব হয়েছে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে। কেউ পশু বাঁধার রশি- মালা, কেউ ভূঁসি-কুড়া, আবার কেউ লবণ বিক্রি করছেন। কাউকে বা দেখা গেল কাঁচা ঘাসের আঁটি মাথায় নিয়ে বিক্রি করতে।

রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, পশু বিক্রি কম হলেও এমন সব ক্ষুদ্র মওসুমী ব্যবসায়ীদের বিক্রি বেশ ভালো। সাভার থেকে মোশারাফ হোসেন এসেছেন গাবতলী বাজারে কাঁচা ধানের পাতার আঁটি বিক্রি করতে।

জিজ্ঞেস করতেই তিনি হাসি দিয়ে বলেন, সাভারে গরুর খামারে কাজ করি। কয়েক দিনের জন্য ঘাস বিক্রি করতেছি। এতে আয় ভালো হয়। সারা দিনে প্রায় ৫০০ আঁটি বিক্রি করতে পারবো। ১০ টাকা করে এই পাতা বিক্রি করছেন তিনি।

গাবতলীর বাজারে কাচা ঘাস বিক্রি করতে এসেছে এক শিশু। ছবি মহুবার।

গাবতলীর বাজারে কাচা ঘাস বিক্রি করতে এসেছে এক শিশু। ছবি মহুবার।

মোহাম্মদপুরের শহীদ মিনার গোরস্থান থেকে দুর্বা ঘাস এনেছেন ফারুক হোসেন। ৭৫ টাকা আঁটি বিক্রি করছেন তিনি। কয়েক দিনের এই ব্যবসায় বেশ লাভবান হওয়া যায় বলে জানান তিনি।
পুরান ঢাকার ধলপুর এলাকার হাটে ভূঁসি, চালের কুড়া ও লবণ বিক্রি করছেন অলি শিকদার। ভূঁসি ৪০ টাকা, চালের কুড়া ২৫ টাকা ও লবণ ২০ টাকা দরে বিক্রি করছেন শিকদার। দৈনিক ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা বিক্রি হয় বলে জানান তিনি।

কোরবানির ঈদ কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা হয়ত কেউ রিক্সা-ভ্যান চালক, কিংবা ঠেলাগাড়ি টানেন, কেউবা দিন মজুর। তবে এই কয়েক দিনের জন্য বলদে ফেলেন তাদের পেশা। রাজধানীর ডোবা, নালা, খাল ও নিচু স্থান থেকে ঘাস এনে বিক্রি করেন গরুর হাটে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ