পোশাক কারখানার অগ্রগতিতে যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট: বাণিজ্যমন্ত্রী
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

পোশাক কারখানার অগ্রগতিতে যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ- ছবি সংগৃহীত

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ- ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশের পোশাক কারখানার অগ্রগতিতে যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

আজ বুধবার সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যবিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (ইউএসটিআর) এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান। বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাট উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন,বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দল আমাদের জানিয়েছে, পোশাক কারখানার উন্নয়নে আমাদের অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তারা চট্টগ্রাম ইপিজেড পরিদর্শনে গিয়ে সরাসরি শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। শ্রমিকরা তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারেও প্রতিনিধি দলের কাছে সন্তুষ্টি প্রকশ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্যের অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা (জিএসপি) ফিরে পাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি তাদের স্পষ্ট জানিয়েছি, আমরা জিএসপি ফিরে পেতে ১৬টি শর্তই পূরণ করেছি। এ ব্যাপারের আমাদের আর কিছু করার নেই। কর্মপরিবেশ ও শ্রমিক নিরাপত্তা ইস্যুতে অনেক উন্নতি হয়েছে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমি প্রতিনিধি দলকে বলেছি- জিএসপি দেওয়া হয় ট্যোবাকো-সিরামিকসহ কয়েকটি আইটেমে। এতে মাত্র ২৩ মিলিয়ন ডলারের সুবিধা মিলছে। এদিকে পোশাক খাতে কখনও জিএসপি দেওয়া হয়নি। কিন্তু পোশাক কারখানার নিরাপত্তা কথা বলে তা বন্ধ রাখা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, রানা প্লাজা ধসের পর ২০১৩ সালের ২৮ জুন স্থগিত হওয়া জিএসপি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এ বছর বাংলাদেশ এই সুবিধা ফিরে পাবে- এমন প্রত্যাশা ছিল অনেকের, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে ইউএসটিআর প্রতিনিধি দল আগামী নভেম্বরে টিকফা বা ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট’ বৈঠকের ব্যাপারে তাগিদ দিয়েছেন। আমি স্পষ্ট বলেছি, জিএসপি না দেওয়া হলে টিকফা চুক্তি কোনোভাবেই অর্থবহ হবে না।

ট্রেড ইউনিয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, আমি তাদের জানিয়েছি, ইপিজেডে ওয়ার্কার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন করে দেওয়া হয়েছে। এতে শ্রমিক-মালিক-সরকার সবাই খুশি। ইপিজেডে কারখানার পরিবেশ ভালো; শ্রমিকদের বেতন ভালো। শ্রমিকরাও চায় তাদের মধ্যেই নেতৃত্ব থাক। এর বেশি কিছু করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

এই বিভাগের আরো সংবাদ