ঝাল কমেছে কাঁচা মরিচের
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পণ্যবাজার

ঝাল কমেছে কাঁচা মরিচের

ঝাল কমতে শুরু করেছে কাঁচা মরিচের। সমাপ্ত সপ্তাহের শুরুতে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কেজি প্রতি ১৯০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল মরিচ। এখন এর দাম সর্বোচ্চ ১৪০ টাকায় নেমে এসেছে। আবার মান ভেদে কেজি প্রতি ৬০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। সেইসঙ্গে কমেছে সবজির দামও।

কাঁচাবাজার (ফাইল ছবি)

কাঁচাবাজার (ফাইল ছবি)

আজ শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা প্রর্যন্ত। তবে কিছুটা নিম্নমানের মরিচ কেজি প্রতি ৬০ টাকা দরেও বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সবজির মধ্যে টমেটো কেজি প্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, সিম ৮০ থেকে ৯০ টাকা, মূলা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, করলা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, কাকরোল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

কাঁচা মরিচ ও সবজির দাম কমার প্রসঙ্গে কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুল আলীম অর্থসূচককে বলেন, বৃষ্টি হইলে কাঁচা মরিচের দাম বাড়ে। এখন বৃষ্টি নাই, তাই দাম কমছে। এছাড়া নতুন সবজি বাজার আসায় সবজির দামও কমছে।

আরেক ব্যবসায়ী রহমান মিয়া বলেন, ঈদের কারণে অনেক মানুষ শহর ছাড়ছে। তাই মালের চাহিদা নাই; চাহিদা কমে গেলে দামও কমে।

কাঁচা মরিচ ও সবজির দাম কমলে স্থিতিশীল রয়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। কারওয়ান বাজারে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৭৫ টাকায়। এছাড়া ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়।  রসুন বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১১০ টাকায়।

অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের মধ্যে আলু ২৫টাকা, মসুর ডাল (দেশি) কেজি প্রতি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা, ভারতীয় মসুর ডাল ১০০ টাকায়, চিনিগুড়া চাল ৭০ থেকে ৭২ টাকা, মিনিকেট ৪২ থেকে ৪৫ টাকা, নাজিরশাইল ৪২ থেকে ৪৫ টাকা, আটাশ ৩৩ থেকে ৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া ভোজ্য তেলের মধ্যে তীর সয়াবিন তেল (৫ লিটার) ৪৬০ টাকা, পুষ্টি (৫ লিটার) ৪৬০ টাকা, রুপচাঁদা (৫ লিটার) ৪৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারে মাঝারি আকারের ইলিশের জোড়া ১ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রুই মাছ কেজিপ্রতি ২২০ থেকে ৩৫০ টাকা, কই মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা, মহিষের মাংস ৩৭০ থেকে ৩৮০ টাকা; খাসি ৫৫০ থেকে ৫৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মরিচের সঙ্গে কমেছে ব্রয়লার মুরগির দামও। কেজি প্রতি ব্রয়লার ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর পাশাপাশি হালি প্রতি হাঁসের ডিম ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা এবং মুরগির ডিম ৩৩ থেকে ৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছ-মাংসের দাম প্রসঙ্গে বিক্রেতারা জানান, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সবাই পশু কেনা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তাই এসময় মাছ ও মুরগির দাম একটু কমে যায়।

এমএইচ/

এই বিভাগের আরো সংবাদ