স্পার্ম দিলে মিলবে আইফোন সিক্সএস
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » টুকিটাকি

স্পার্ম দিলে মিলবে আইফোন সিক্সএস

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে অ্যাপলের তৈরি আইফোন-আইপেডসহ প্রায় প্রতিটি পণ্যই। এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই চীনও। অ্যাপলের যেকোনো পণ্য খুব সহজেই লুফে নেন চীনের মানুষেরা। এই কোম্পানির পণ্যের প্রতি তাদের দুর্বলতা অনেক বেশি।

Iphone 6s

আইফোন সিক্সএস।

অ্যাপলের যেকোনো পণ্য বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গে তা ছড়িয়ে পড়ে চীনের প্রতিটি ঘরে। সবাই প্রতিযোগিতায় নামে সেই পণ্য নিজের দখলে নেওয়ার। সম্প্রতি আইফোন সিক্সের আপডেট ভার্সন আইফোন সিক্সএস বাজারে ছেড়েছে অ্যপল। চীনের এই সেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই হাজির হলো প্রায় দুই হাজার মানুষ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে দাঙ্গার সম্ভাবনাও দেখা যায়।

আইফোন সিক্সএস কিনতে ইতোমধ্যে প্রতিযোগিতায় নেমেছে চীনের মানুষেরা। এমনকি কিডনি বিক্রি করে এই সেট কেনা হচ্ছে বলেও জানা গেছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আইফোন সিক্সএস কিনতে কিডনি বিক্রির চেষ্টা করছেন চীনের অনেক নাগরিক।

এমন পরিস্থিতি আইফোন সিক্সএস ফোন কেনার সুযোগ দিচ্ছে সাংহাইয়ের রেনিজি হাসপাতাল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইফোন সিক্সএস কিনতে আর কিডনি বিক্রির প্রয়োজন নেই। আপনি খুব সহজেই একটি সিক্সএস পেতে পারেন। এই সেট কেনার সম্পূর্ণ অর্থ দেবে রেনিজি হাসপাতাল।

এটি হাসপাতালের কোনো সেবা নয়; বরং একে ওই হাসপাতালের ব্যবসার একটি কৌশল হিসেবে উল্লেখ করা যায়। কারণ, আইফোন সিক্সএস কেনার যে অর্থ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা তা পেতে শর্ত মানতে হবে। আর তা হলো, শুধু স্পার্মের বিনিময়ে এই অর্থ দেবে হাসপাতালটি।

রেনিজি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্পার্ম দেওয়ার জন্য যারা রাজী হবেন তাদেরকে বিভিন্ন মেডিকেল টেস্ট দিতে হবে। সব টেস্টে উত্তীর্ণ হলেই স্পার্ম দিতে পারবেন আগ্রহীরা। আর এর বিনিময়ে তাদেরকে দেওয়া হবে ৬ হাজার ইউয়ান। নতুন আইফোন সিক্সএস কেনার জন্য এই অর্থ যথেষ্ট।

তারা বলছে, স্পার্ম ডোনারদের আকৃষ্ট করতেই এতো বেশি অর্থের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কারণ আইফোন সিক্সএসের প্রতি চীনের মানুষের একটা দুর্বলতা আছে।

এদিকে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় উঠেছে। তবে এই প্রস্তাবের পক্ষে রয়েছেন অনেকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন মন্তব্য করেছেন, এতে দোষের কিছু নেই; স্পার্ম ব্যাংকের কৌশল বেশ সৃজনশীল।

আরেকজন লিখেছেন, কিডনি বিক্রি করার চেয়ে এটা অনেক ভালো। আশা করছি, যারা কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা এটা দেখেছেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ