সংসদ থেকে লতিফ সিদ্দিকীর পদত্যাগ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

সংসদ থেকে লতিফ সিদ্দিকীর পদত্যাগ

জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছেন আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত নেতা আবদুল লতিফ সিদ্দিকী।

Latif Siddique

রাজধানীর ধানমণ্ডি থানায় আত্মসমর্পণের পর সিএমএম কোর্টে নেওয়া হয় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে। ছবি: খালেদুল কবির নয়ন

মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে সরাসরি পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।

জটিলতার মধ্যে নিজেই সংসদ সদস্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে মঙ্গলবার অধিবেশন কক্ষে ঢোকেন টাঙ্গাইল-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য।

স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বক্তৃতা দেন তিনি, যাতে হজ নিয়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়। শেষ পর্যায়ে সংসদ সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

সংসদ থেকে পদত্যাগপত্রটি সংসদের কর্মীদের মাধ্যমে স্পিকারের কাছে পাঠান লতিফ সিদ্দিকী। পদত্যাগপত্রটি অধিবেশনে পড়বেন কি না- জানতে চাইলে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, তার প্রয়োজন নেই।

বক্তৃতায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর বহিষ্কৃত সদস্য ও সাবেক টেলিযোগাযোগমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী বলেন, দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার ইচ্ছার প্রতি সম্মান দেখিয়ে সংসদ সদস্যপদ ছাড়লেন তিনি।

আগামী ৬ সেপ্টেম্বর লতিফ সিদ্দিকীর সংসদ সদস্য পদ নিয়ে বিতর্ক নিষ্পত্তির শুনানি রয়েছে। তার আগেই নিজেই পদত্যাগ করলেন তিনি।

প্রায় এক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে এক অনুষ্ঠানে হজ ও তাবলিগ জামাত নিয়ে মন্তব্য করে সমালোচনায় পড়েন মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী।

গত বছর ২৮ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতির ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমি কিন্তু হজ আর তাবলিগ জামাত দুটোর ঘোরতর বিরোধী। আমি জামায়াতে ইসলামীর যতটা বিরোধী, তার চেয়ে বেশি হজ আর তাবলিগের বিরোধী।

এরপর বিভিন্ন মহলের দাবির মুখে লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

টাঙ্গাইল-৪ আসনের চার বারের সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকী ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার সরকারে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে পাঁচ বছর তা পালন করেন। আর চলতি সরকারে তাকে দেওয়া হয়েছিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

কিন্তু ওই মন্তব্যের কারণে তাকে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর পদ থেকে সরানোর পাশাপাশি দলের প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়।

দেশে ফেরার পর ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মামলায় নয় মাস কারাগারে কাটাতে হয় টাঙ্গাইলের এই সাংসদকে। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পান তিনি।

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ