‘অভিবাসী ভাড়া আর মানবপাচার এক নয়’
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » প্রবাস

‘অভিবাসী ভাড়া আর মানবপাচার এক নয়’

অর্থের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে বিদেশি শ্রমিক ভাড়া করে অন্যত্র নিয়োগ দেওয়া আর মানবপাচার একই কথা- এমন মন্তব্য থেকে সরে এসেছেন সৌদি আরবের সিনিয়র পর্যায়ের এক বিশেষজ্ঞ। তিনি জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে শ্রমিকদের কাছ থেকে আগে অনুমতি নিতে হবে। তারা যদি সম্মতি দেন, তবে ব্যবসার ক্ষেত্রে তা সমর্থনযোগ্য।

সৌদি আরবে কাজ করছেন এক বাংলাদেশি শ্রমিক- ছবি সংগৃহীত

সৌদি আরবে কাজ করছেন এক বাংলাদেশি শ্রমিক- ছবি সংগৃহীত

শেখ আব্দুল্লাহ আল মুলতাক নামের এই বিশেষজ্ঞ সিনিয়র স্কলার কাউন্সিলের একজন সদস্য। তিনি বলেন, গ্রহণযোগ্য ‘ব্যবসা’ হিসেবে সৌদিরা স্পন্সরদের অধীনে বিদেশি শ্রমিক ভাড়া করতে পারেন। ব্যক্তি মালিকানায় নেওয়া শ্রমিকদের অনুমতিক্রমে চাইলে স্পন্সররা অন্যত্র কাজে পাঠাতে পারেন।

তিনি জানান, কাউন্সিল এ ব্যাপারে একমত হয়েছে যে, স্পন্সর তাদের গাড়িচালক, গৃহকর্মী, টেকনিশিয়ান বা অন্যান্য শ্রমিককে অর্থ পরিশোধের শর্তে তাদের অনুমতিসাপেক্ষে অন্যত্র কাজ করাতে পারেন।

অনেক কোম্পানি বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ দেওয়া বা ভাড়া করাকে ব্যবসা হিসেবে দেখেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটাকে অনেক ক্ষেত্রে মানবপাচার হিসেবেই দেখা হতো; যা আসলেই ঠিক নয়। তবে এক্ষেত্রে শ্রমিকদের পূর্ণ সমর্থন থাকতে হবে। তাদেরকে অবহেলা করা উচিত নয়।

শ্রমিকরা চাইলে তাদের অধিকার নিয়ে কথা বলতে পারেন। তাদের সম্মতির বিরুদ্ধে দাঁড়ালে প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন। যোগ করেন মুলতাক।

তবে আইনজীবী মুহাম্মদ আল দারউইশ জানান, সাময়িক সময়ের জন্য শ্রমিক আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে লাইসেন্স থাকতে হবে। তারপরও তারা শুধু গৃহস্থালি ও টেকনিশিয়ান শ্রমিকদের বেলা এটা করতে পারবেন। আর যদি লাইসেন্স না থাকে, তবে কোনো ক্রমেই ব্যক্তিগত স্পন্সররা এই কাজ করতে পারবেন না। করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ