চিটাগাং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পুঁজিবাজার

চিটাগাং সিমেন্ট কেলেঙ্কারি মামলা: শুনানি পিছিয়ে মঙ্গলবার

Heidelberg-Cement

হাইডেলবার্গ সিমেন্ট

চিটাগাং সিমেন্ট ক্লিংকার গ্রাইন্ডিং কোম্পানি লিমিটেডের (বর্তমানে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট) শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলার শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হয়নি। মামলার বাদী বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আইনজীবীর অনুরোধে শুনানী ২ দিন পিছিয়েছেন পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল।আগামী ১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সভাপতি ও চিটাগাং সিমেন্ট লিমিটেডের সাবেক পরিচালক মোঃ রকিবুর রহমান, ডিএসই ও চট্টগ্রাম সিমেন্টের সাবেক পরিচালক শহুদুল হক বুলবুল এবং টিকে গ্রুপের আবু তৈয়বের বিরুদ্ধে চিটাগাং সিমেন্টের শেয়ার মূল্য কারসাজির মামলা চলছে ট্রাইব্যুনালে।

উল্লেখ, ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে ধসের পর গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে বিএসইসি ওই মামলা দায়ের করা হয়। আজ তদন্ত কমিটির প্রধান ও জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক আমিনুল ইসলামের সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি পেশাগত জটিলতায় উপস্থিত হতে না পারায় বিএসইসির পক্ষ থেকে বিষয়টি জানিয়ে শুনানী পেছানোর অনুরোধ করা হয়।

রোববার মামলাটি নিয়ে বাদী পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে কিছু সমন্বয়হীনতা দেখা যায়। এদিন বিকালে মামলাটির শুনানী অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। বেলা ১২টায় বাদী পক্ষের জুনিয়র আইনজীবী এসএম রফিকুল ইসলাম আদালতে শুনানী পেছানোর আবেদন করেন। মামলার অন্যতম সাক্ষী তদন্ত কমিটির প্রধান আমিনুল ইসলাম পেশাগত কারণে আসতে না পারায় শুনানী পেছানোর আবেদন করা হয়।

এসএম রফিকুল ইসলাম প্রথমে সাদা কাগজে ওই আবেদন করেন। কিন্তু আদালত সেটি গ্রহণ করেননি। তাকে প্যাডে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি প্যাডে শুনানী পেছানোর আবেদন করেন।

এদিকে শুনানী পেছানোর আবেদনের বিষয়ে অবহিত করা হয়নি অপর আইনজীবী মাসুদ রানা খানকে। বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন। প্রায় একই সময়ে উপস্থিত হন মামলার সাক্ষী বিএসইসির সাবেক নির্বাহী পরিচালক এম এ রশিদ খান। তারা শুনানী পেছানোর খবরে কিছুটা বিষ্মিত ও হতাশ হন।

গত ১৬ আগস্ট চিটাগাং সিমেন্ট ক্লিংকার গ্রাইন্ডিং কোম্পানির শেয়ারের মূল্য কারসাজি মামলার শুনানি শুরু হয়। এদিন বিএসইসির সাবেক নির্বাহী পরিচালক এম এ রশিদ স্বাক্ষ্য দেন। পরদিন স্বাক্ষ্য দেন তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম।

আদালতে আমিনুল ইসলাম বলেন, ১৯৯৬ সালের জুলাই মাস হতে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে চিটাগাং সিমেন্টের ১০০ টাকার ফেস ভ্যালুর মোট ১২ লাখ ৯০ হাজার শেয়ার ছিল। প্রতিটি শেয়ারের বুক ভ্যালু ছিল ১৩৪ টাকা। আসামী দুজন ওই সময়ে অবৈধ ও প্রতারণামূলকভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়েছেন।

১৯৯৬ সালের ৩০ জুন কোম্পানির শেয়ারের বাজার মুল্য ছিল ২ হাজার ৫৮৫ টাকা। যা ওই বছরের ৩১ জুলাই ছিল ৩ হাজার ৫২ টাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর-৯৬ তারিখে ছিল ৩ হাজার ৭৪৭ টাকা, ৩১ অক্টোবর-৯৬ সালে ছিল ৮ হাজার ৮৮২ টাকা, ১৬ নভেম্বর-৯৬ তারিখে ছিল ১৫ হাজার ৬৯৪ টাকা।

এই বিভাগের আরো সংবাদ