এশিয়ার পুঁজিবাজারে ধস অব্যাহত
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » আন্তর্জাতিক

এশিয়ার পুঁজিবাজারে ধস অব্যাহত

চীনের শেয়ারবাজারে আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যাপক দরপতন অব্যাহত ছিল। দিনের শেষে সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্যসূচক সাতে ৭ শতাংশ পড়ে গেছে। এর আগে গতকাল সোমবার শেয়ারের দরপতন ঘটে সাড়ে ৮ শতাংশ। ২০০৭ সালের পর সাংহাই এর শেয়ার বাজারে এক দিনে এতো বড় দরপতন আর হয়নি।

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

এদিন জাপানের নিক্কেই সূচক প্রায় চার শতাংশ কমে গেছে। অন্যদিকে ভারতে ৩০০ পয়েন্ট বেড়ে ২৬,১০৭ সূচকে খোলে সেনসেক্স। নিফটিও ১ শতাংশ উপরেই খোলে। কিন্তু দেশের নামী ১৪টি সংস্থার শেয়ারের দাম পড়ে যাওয়ায় ফের একবার ৩০০ পয়েন্টেরও বেশি পড়ে যায় সূচক। সকালে ২.১ শতাংশ উপরে শুরু করেও সেই অগ্রগতি ধরে রাখতে পারেনি বাজার। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ১.৫ শতাংশ পড়ে সূচক এসে দাঁড়ায় ২৫,৩৫১ পয়েন্টে, গত এক বছরে যা সব থেকে কম।

তবে এশিয়ার শেয়ারবাজারের প্রভাব আজ ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়ায় ততটা প্রভাব ফেলতে পারেনি।

সোমবারের বিরাট ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে ইউরোপের প্রধান শেয়ার বাজারগুলো আজ দিনের লেন-দেন শুরু হওয়ার পরপরই চাঙ্গা হয়ে উঠে।

গতকাল সোমবার বিশ্ব জুড়ে শেয়ারবাজারে যে মারাত্মক দরপতন ঘটে, তাকে বিশ্লেষকরা ‘ব্ল্যাক মানডে’ বলে বর্ণনা করছেন। কারও কারও হিসেবে গতকাল একদিনেই বিশ্বের শেয়ার বাজার গুলোতে শেয়ারের দাম অন্তত পঞ্চাশ হাজার কোটি ডলার কমে গেছে।

বিশ্ব পুঁজিবাজারে এই অস্থিরতার জন্য দায়ী করা হচ্ছে চীনের অর্থনীতির বেহাল দশাকে।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনের প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়ে পড়ছে। শেয়ারবাজারেও সৃষ্টি হয়েছে অস্থিরতা। পরিস্থিতি সামলাতে চীনা কর্তৃপক্ষ গত মাসে কয়েক দফায় তাদের মূদ্রা ইউয়ানের অবমূল্যায়ন করে। এরপর চীনের অর্থনীতি নিয়ে শঙ্কা আরও বৃদ্ধি পায়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীনের সমস্যা না-মেটা এবং মার্কিন শীর্ষ ব্যাঙ্ক ফেডারেল রিজার্ভের সুদ বাড়ানো নিয়ে অনিশ্চয়তা না-কাটা পর্যন্ত বাজারে অস্থিরতা থাকবেই। রোজ রোজ হাজার-দেড় হাজার অঙ্কের ধস হয়তো হবে না। কিন্তু, লেগেই থাকবে বড় মাপের উত্থান-পতন।

চীনা অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আজ সুদ কমানোর কথা ঘোষণা করেছে দেশটির শীর্ষ ব্যাংক।

এই বিভাগের আরো সংবাদ