ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ১৬ আগস্ট পর্যন্ত
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » জাতীয়

ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ১৬ আগস্ট পর্যন্ত

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানিয়েছেন, সদ্য প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণে আগামীকাল সোববার থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত সময় পাবে শিক্ষার্থীরা। এসএমএস এর মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে তারা।

২০১৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের একাংশ।

২০১৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের একাংশ।

আজ রোববার দুপুরে সচিবালয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা জানান।

আন্তঃবোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্রীকান্ত কুমার চন্দ্র জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক থেকে আগামী ১০ থেকে ১৬ অগাস্ট পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে।

ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইযেন্টিফিকেশন নম্বর-PIN) দেয়া হবে।

আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। যে সব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যে সব বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে দুটি পত্রের জন্য মোট ৩০০ টাকা ফি কাটা হবে।

একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে।

ফলাফল অনুযায়ী, রাজশাহী বোর্ডে ৭৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৭৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৭০ দশমিক ৪৩ শতাংশ, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৭০ দশমিক ০৬ শতাংশ, ঢাকা বোর্ডে ৬৮ দশমিক ১৬ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং যশোর শিক্ষা বোর্ডে ৪৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ৮২ হাজার ৫৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৪ হাজার ৪৬১ জন পাস করেছে; পাসের হার ৯০ দশমিক ১৯ শতাংশ। গত বছর মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৯৪ দশমিক ০৮ শতাংশ। তবে মাদ্রাসা বোর্ডে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী কমেছে। গত বছর ৬ হাজার ২৫ জন জিপিএ-৫ পেলেও এবার পেয়েছে মাত্র ১ হাজার ৪৩৫ জন।

কারিগরি বোর্ডের ৯৮ হাজার ২৯৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৮৪ হাজার ১২৫ জন; পাসের হার ৮৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ। গত বছর পাসের হার ছিল ৮৫ দশমিক ০২ শতাংশ। গত বছর ৬ হাজার ৩৯৩ জন জিপিএ-৫ পেলেও এবার তা বেড়েছে ৬ হাজার ৪৩০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

অন্যদিকে, দেশের বাইরে থেকে এবছর ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৩৬ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২১২ জন পাস করেছে; পাসের হার ৮৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ জন।

প্রসঙ্গত, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতাল-অবরোধের মধ্যে গত ১ এপ্রিল ২০১৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ১১ জুনে শেষ হয় লিখিত পরীক্ষা। এরপর ১৩ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত চলে ব্যবহারিক পরীক্ষা। আটটি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে ৮ হাজার ৩০৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০ লাখ ৬১ হাজার ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

এই বিভাগের আরো সংবাদ