জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে

জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত মাসে মূল্যস্ফীতির হার পয়েন্ট টু পয়েন্টে বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৩৬।

আগের মাসে এটি ছিল ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ। মে মাসে ছিল ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ।

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেকের সভা শেষে অনুষ্ঠিত সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ সব তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, রমজানে প্রতিবছরই কিছু পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এবারো বেড়েছে। এ কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এছাড়া তামাকজাতীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধিও মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে।

তিনি বলেন, ‘২০১৪-১৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৬.৪১ শতাংশ। এটি গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সরকারের লক্ষ্য ছিলো বছরের গড় মূল্যস্ফীতি ৬.৫০ শতাংশের মধ্যে রাখা। সরকার তা করতে পেরেছে। এটা সরকারের সক্ষমতারও প্রমাণ বহন করে।’

মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, জুলাই মাসে খাদ্য বর্হিভূত পণ্যের দামও বেড়েছে। তবে কমেছে খাদ্য পণ্যের দাম।

গত মাসে খাদ্য ও খাদ্য বর্হিভূত উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে শতকরা ৬ দশমিক ০৭ ও ৬ দশমিক ৮০ ভাগ। যা মে মাসে ছিল যথাক্রমে শতকরা ৬ দশমিক ৩২ ও ৬ দশমিক ১৫ ভাগ।

এ সময়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে, তবে বেড়েছে শহরে। সাধারণ পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে এ সময়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৮৮ ভাগ, যা জুন মাসে ছিল ৫ দশমিক ৯০ ভাগ।

সাধারণ পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে এ সময়ে শহরে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ২৮ ভাগ, যা জুন মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯১ ভাগ।

মূল্যস্ফীতির হ্রাস-বৃদ্ধি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, রমজান উপলক্ষ্যে ডাল, মাছ, মাংস, শাক-সবজি, মসলা, দুধ ও দুধজাতীয় এবং তামাক জাতীয় দ্রব্যাদির মূল্য বৃদ্ধির কারণে মাসিক ভিত্তিতে খাদ্য সামগ্রী উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে শতকরা ১ দশমিক ৯৫ ভাগ। যা জুন মাসে ছিল ০ দশমিক ০৩ ভাগ।

এই বিভাগের আরো সংবাদ