স্বাভাবিক লেনদেনে ফিরেই হল্টেড এসপিসিএল
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » খাত/কোম্পানি পর্যালোচনা

স্বাভাবিক লেনদেনে ফিরেই হল্টেড এসপিসিএল

Shahjibajar_Power

শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (এসপিসিএল) লোগো

স্বাভাবিক লেনদেনে ফেরার প্রথম দিন থেকেই হল্টেড থেকে লেনদেন শেষ করেছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (এসপিসিএল)। তবে ঈদের আগে টানা চার দিনও কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই সূত্র মতে, গত দুই কার্যদিবসে কোম্পানির শেয়ারটি ২০ দশমিক ৭০ শতাংশ দর বেড়েছে। আজ বুধবার ৭ হাজার ১২৭ বারে কোম্পানির ৩২ লাখ ৪২ হাজার ১৪২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৬৫ কোটি ৩৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। আর মঙ্গলবার ৩২৪ বারে কোম্পানিটির ২ লাখ ৫৯ হাজার ২৮৩টি শেয়ার লেনদেন হয়। যার আর্থিক মূল্য ছিল ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৮ হাজার টাকা। তবে মঙ্গলবার পুরো দিন হল্টেড থাকলেও বুধবার এ চিত্র ছিল ভিন্ন। এদিন এসপিসিএলের শেয়ার দিনের শুরুতে হল্টেড হলেও বুধবার হয়েছে থেমে থেমে।

এদিকে এর আগে স্পট মার্কেট থেকে মূল মার্কেটে ফিরে আসছে কোম্পানিটি এমন  খবর বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে স্পট প্রত্যাহারের চার কার্যদিবস আগে থেকে শেয়ারটির দর বাড়তে থাকে। এতে ১৪১ টাকা ৪০ পয়সার শেয়ার চার কার্যদবিসে এসে ১৭০ টাকায় পৌঁছে।

প্রসঙ্গত, বিএসইসির ৫৫১ তম কমিশন সভায় কোম্পানির শেয়ার পাবলিক মার্কেটে লেনদেন করার অনুমতি দেওয়া হয়।

শেয়ারের দামের অস্বাভাবিক উর্ধ্বগতির পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের মধ্য নভেম্বরে শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ারের লেনদেন পাবলিক মার্কেট থেকে স্পট মার্কেটে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এছাড়া এ কোম্পানির শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে ঋণ সুবিধা স্থগিত রাখা হয়।

উল্লেখ, পাবলিক মার্কেট হচ্ছে স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান বাজার। এখানে সাধারণ স্যাটলমেন্টে শেয়ার লেনদেন হয়। এ, বি, জি ও এন ক্যাটাগরির শেয়ারের ক্ষেত্রে স্যাটলমেন্টের সময় টি প্লাস টু। অর্থাৎ শেয়ার কেনার তৃতীয় দিনে বিক্রেতাকে টাকা পরিশোধ করতে হয়। একইভাবে ক্রেতা তৃতীয় দিনে তার শেয়ার বুঝে পান। এ মার্কেটে যে কোনো কোম্পানির (জেড ক্যাটাগরি ছাড়া) শেয়ার বিক্রি করে ওই টাকার সমপরিমাণ অন্য শেয়ার কেনা যায়।

স্পট মার্কেটে নগদ টাকায় শেয়ার কেনাবেচা করতে হয়। এখানে যেদিন লেনদেন হয়, সেদিনই তার নিষ্পত্তি হয়। স্পট মার্কেটের শেয়ারে নেটিং বা আর্থিক সমন্বয় সুবিধা থাকে না। অর্থাৎ কোনো শেয়ার বিক্রি করে ওই অর্থে অন্য কোনো শেয়ার কেনা যায় না।

সাধারণত এজিএম, ইজিএম বা লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড তারিখের আগে ৩ কার্যদিবস সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্পট মার্কেটে অনুষ্ঠিত হয়। লেনদেন পদ্ধতির কারণে এ মার্কেটে শেয়ারের কেনাবেচা কিছুটা কমে যায়।

কখনো কখনো কোনো শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকলে ওই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্পট মার্কেটে সরিয়ে নেওয়া হয়। লেনদেন জটিলতার কারণে তখন ওই কোম্পানির শেয়ার কেনার প্রতি ঝোঁক কমে যায় বিনিয়োগকারীদের। ফলে শেয়ারের দামের উর্ধগতির ধারা থেমে যায়। এটিকে তাই অনেকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা মনে করেন।

অর্থসূচক/এসইউএম/জিইউ/এসএ/

এই বিভাগের আরো সংবাদ