ঈদের শেষ প্রস্তুতি আতর-টুপি
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

ঈদের শেষ প্রস্তুতি আতর-টুপি

ঈদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। শেষ হয়েছে কেনাকাটার পর্বও। তবে এখনও বাকি রয়েছে ভুলতে বসা আতর, সুরমা আর টুপি কেনার কথা। তাইতো শেষ প্রস্তুতি হিসেবে আজ শুক্রবারও রাজধানীর আতর-টুপির দোকানে ভিড় জমিয়েছে ঢাকাবাসী।

tupi

ঈদের শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ভিড় বাড়ছে সুগন্ধি আতর, সুরমা ও টুপির দোকানে। রাজধান ঢাকাসহ সব জেলাতেই ঈদ শপিংয়ের মিছিল শেষে পুরুষেরা এখন ব্যস্ত আতর-টুপি কিনতে। ফুটপাত থেকে শুরু করে ছোট বড় দোকানগুলোতে ক্রেতার ভিড়ে হিমশিম বিক্রেতারা।

এদিন রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মার্কেটসহ অন্যান্য আতর, টুপি, তসবি ও জায়নামাজের দোকান ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টির মধ্যেও উপচেপড়া ভিড় লেগেই আছে এসব দোকানগুলোতে।

ঈদের দিন সকালে নতুন পায়জামা-পাঞ্জাবির সঙ্গে দরকার সুরমা, আতর, টুপি, তসবি আর জায়নামাজের। একমাস সিয়াম সাধনার পর ঈদের নামাজে আতর ও সুরমার ব্যবহার একদিকে যেমন সুন্নত আদায় হয়, তেমনি সুগন্ধির কারণে মনে একটা প্রফুল্লভাব আসে।

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের নিচে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন আতর-টুপি ব্যবসায়ীরা। অর্থসূচকের এই প্রতিবেদকের কথা হয় নূরানী আতর কোং এর স্বত্তাধিকারী হাফেজ গোলাম রহমানের সাথে। তিনি জানান, বেচা-কেনা ভালোই হচ্ছে। তবে রোজার শেষের দিকে বৃষ্টি না হলে আরো বেশি বেচাকেনা হত।

তার দোকানে যেসব আতর পাওয়া যায় তার মধ্যে আগর, সুলতান, কস্তরী, মারজান, রেড আফ্রিকান, উদ আতর, লর্ড আতর, ফেরদৌস, কিসওয়াতুল কাবা, দিলরুবা, আম্বর কস্তুরি, জেসমিন, ইরানি নামের আতর উল্লেখযোগ্য। এসব আতরের দাম পড়বে ২ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ২৪ হাজার টাকার মধ্যে। দেশি আতর পাওয়া যাবে ৪০ টাকা থেকে ১২৫০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া পাওয়া যাচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ আইটেমের টুপি। যার দাম পড়বে ১০০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

ইসলাম হাউজের মালিক শাহরীয়ার জানান, বৃষ্টির কারণে অন্যান্য সময়ের তুলনায় এবার বেচাকেনা একটু খারাপ। এছাড়া আরো কথা হয় আল যিয়াদ বিদেশী আতর হাউজের স্বত্তাধিকারী মো: শরীফ উদ্দিন পাঠানের সাথে। তিনি বলেন, শেষ মুহূর্তে বেচাবিক্রি ভালই জমছে। এই মৌসুমে টুপি, আতর, সুরমা, জায়নামাজের চাহিদা বেশ। এছাড়া তসবী ও কোরআন শরীফও বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, ক্রেতাদের অভিযোগ, দাম খুবই চড়া। আতর কিনতে আসা রবিউল ইসলাম বলেন, ঈদ উপলক্ষে সবাই আতর, সুরমা, টুপি, তসবি কিনেন, যার কারণে দোকানিরা দামটা কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছেন।

ঈদের সময় সৌখিন টুপির কদর বেশি। দোকানগুলোতেও তাই দেখা যায়, থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে রংবেরঙয়ের সব বাহারি টুপি। কাশ্মিরী পাথর বসানো নকশা করা টুপির দাম ৫৫০ টাকা। জর্দানি টুপির দাম ৬০০, জিন্নাহ টুপির দাম ১২০০, নেপালী টুপি ৩৫০, চায়নারুমী টুপির দাম ৩৫০ টাকা। এছাড়া সাদা কাপড়ে রঙিন সুতোর নকশা করা টুপি ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

বায়তুল মোকাররম ছাড়াও পুরান ঢাকার চকবাজার, মিটফোর্ড, ইসলামপুর, ওয়াইজ ঘাট, নিউ মার্কেট এলাকায় আতর, টুপি ও জায়নামাজের দোকান বেশি। এছাড়া ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকার ফুটপাতেও বসেছে আতর-টুপির দোকান। ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা জানান, বেচাকেনা ভালই হচ্ছে। তবে বৃষ্টিটাই একটু ঝামেলা করেছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ