যেন দম ফেলার সময় নেই কসমেটিকস বিক্রেতাদের
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

যেন দম ফেলার সময় নেই কসমেটিকস বিক্রেতাদের

shop-460ঈদের বাকি আর মাত্র দুয়েকদিন। ইতোমধ্যে পছন্দের পোশাক, জুতা-স্যান্ডেল কেনাকাটার পর্ব শেষ করে ফেলেছেন অনেকেই। এখন তারা ছুটছেন কসমেটিকস পণ্য কিনতে। তাই নতুন কাপড়ের সঙ্গে মিলিয়ে কানের দুল, চুড়ি এবং সাজগোজের অন্যান্য অনুসঙ্গ জোগাড়ে তরুণীদের উপচেপড়া ভিড় এখন রাজধানীর কসমেটিকসের দোকানে দোকানে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন শপিংমল ঘুরে দেখা যায়, ব্যস্ত সময় পার করছেন কসমেটিকস ব্যবসায়ীরা। আর উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে চলছে কেনাকাটাও। যেন দম ফেলার সময় নেই বিক্রেতাদের।

সরেজমিন দেখা গেছে, তরুণীরা ঈদের পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে কিনছেন পছন্দের নেলপলিশ, লিপস্টিক, আইশ্যাডো, আইলাইনার, ব্লাশন, বডি স্প্রে, ফেস পাউডার, প্যানকেক, ফাউন্ডেশন, পারফিউম, প্যানস্টিক এবং সাবান-শ্যাম্পুও। দেশি-বিদেশি যার যেমন সামর্থ্য তেমন পণ্য কিনছেন তারা। এসবের মধ্যে বেশি চলছে মেবলন, জর্ডানা, জ্যাকলিন, লরিয়াল কোম্পানির কসমেটিকস।

রাজধানীর গুলিস্তান সুপার মার্কেটে অবস্থিত চয়েস কসমেটিকস দোকানের মালিক ফারুক আহমেদ অর্থসূচককে জানান, শেষ মুহূর্তে এসে বেচাকেনা বেড়েছে। তবে গত বছরের চেয়ে এ বছরের বেচাকেনা খারাপ। এবার গড়ে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার কসমেটিকস পণ্য বিক্রি হয়েছে।

রামিম কসমেটিকসের স্বত্তাধিকারী মিথুন জানান, শেষ দিকে এসে ভালোই হচ্ছে বেচাকেনা । ঈদে বডি স্প্রে, ফেস পাউডার, মেহেদী, নেলপলিশ, লিপস্টিক ইত্যাদির চাহিদাই বেশি।

গুলিস্তান সুপার মার্কেটে দুপুরে কসমেটিকস পণ্য কিনতে এসেছিলেন রূপা হক। অর্থসূচককে তিনি বলেন, পোশাক কিনতে যতটা খরচ; কসমেটিকসে তার চেয়ে কম হচ্ছে না। ঈদে সব জিনিসের দামই বাড়তি। তারপরও প্রয়োজন; তাই সবই কিনতে হচ্ছে।

রূপা হক এসময় অভিযোগ করেন, ঈদকে ঘিরে কসমেটিকস পণ্যের দাম অনেক বাড়িয়েছে দোকানিরা। এছাড়া বেশি দাম নিয়ে অনেক নিম্নমানের পণ্যও চালাচ্ছে তারা।

এদিকে নগরীর বড় বড় বিপণি বিতান ও শপিংমলের মতো ফুটপাতেও আছে কসমেটিকস পণ্যের অনেক ক্রেতা। মূলত নিম্নবিত্তরাই ফুটপাত থেকে কিনছেন নেলপলিশ- লিপস্টিক-চুড়িসহ কিছু সাজগোজের পণ্য ।

রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনী চক, মেট্রো শপিংমল, বসুন্ধরা শপিং সেন্টারসহ বিভিন্ন অভিজাত বিপণি বিতানের কসমেটিকস দোকান ঘুরে দেখা গেছে, পারফিউম ৫শ থেকে তিন হাজার টাকায়, বডি স্প্রে ২শ থেকে ৫শ টাকা, মেকআপ ও ফেসমেকআপ বিক্রি হচ্ছে ৩শ থেকে ৩ হাজার টাকায়, আইলাইনার ৫০-৩০০ টাকায়, আইব্রাউ ২০-৫০ টাকায়, আইশ্যাডো ৩০-২০০ টাকায়, লেন্স ১৫০-৫০০ টাকায়, নেইলপলিশ ৫০-২০০ টাকায়, বাজুবন্ধ ৩০০ টাকায়, লিপস্টিক ৩০-১৫০ টাকায়, কাচের চুড়ি ৫০-১০০ টাকায় এবং ব্রেসলেট ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে এসব কসমেটিকস পণ্য ফুটপাতে পাওয়া যাচ্ছে আরও অনেক কম দামে। তাই সেখানে ভিড়।

এই বিভাগের আরো সংবাদ