৭ মাস পর মুক্ত লতিফ সিদ্দিকী
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

৭ মাস পর মুক্ত লতিফ সিদ্দিকী

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে দায়ের করা একাধিক মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর হাসপাতাল ছেড়েছেন সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী আবদুল লতিফ ‍সিদ্দিকী।

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে করজোড় হাতে  সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। ছবি মহুবার রহমান

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে করজোড় হাতে সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। ছবি মহুবার রহমান

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ সুপার ফরমান আলি সোমবার তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলের কেবিনে চিকিৎসাধীন ছিলেন লতিফ সিদ্দিকী।

ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের কারারক্ষক মোহাম্মদ নেছার আলম জানিয়েছেন, বিকেল পৌনে ৫টার দিকে লতিফ সিদ্দিকী হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান।

তবে হাসপাতাল ছাড়ার পর তিনি কোথায় গেছেন তা জানা যায়নি।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পবিত্র হজ ও তাবলিগ জামায়াত এবং প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন লতিফ সিদ্দিকী।

লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি জামায়াতে ইসলামীর যত বিরোধী, তার চেয়েও বেশি হজ ও তাবলিগের বিরোধী। কত ম্যান পাওয়ার নষ্ট হয়, তোমরা বিবেচনা করে দেখ। হজের জন্য ২০ লাখ মানুষ আজ সৌদি গেছে। এদের কোনো কাজ নেই। এরা কোনো প্রোডাকশন করছে না, শুধু রিডাকশন করছে, শুধু খাচ্ছে। দেশের টাকা নিয়ে গিয়ে ওদের দিচ্ছে।’

এরপর গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও জনগণের সমালোচনার মুখে  তাকে মন্ত্রিসভা ও দল থেকে অপসারিত করে আওয়ামী লীগ। ওইসময় সারাদেশে তার বিরুদ্ধে ১৭ টি মামলা দায়ের হয়।

গত ২৩ নভেম্বর রাতে দেশে ফেরেন লতিফ সিদ্দিকী। ২৫ নভেম্বর দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। পুলিশ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করলে আদালতের আদেশে তাকে নেওয়া হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কয়েক দিন পরই বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতালের প্রিজন সেলে ভর্তি করা হয় তাকে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ