সাবসিডিয়ারিকে দেওয়া বাড়তি ঋণ সমন্বয়ের সময় বাড়ল
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পুঁজিবাজার

সাবসিডিয়ারিকে দেওয়া বাড়তি ঋণ সমন্বয়ের সময় বাড়ল

broker house

ব্রোকারহাউজ

সহযোগী প্রতিষ্ঠান বা সাবসিডিয়ারিকে ব্যাংকের দেওয়া ‘একক গ্রাহক ঋণসীমা’র অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয়ের সময় এক বছর বেড়েছে। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সময় আরও এক বছর বাড়িয়েছে। মূলত মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজকে দেওয়া কোনো কোনো ব্যাংকের ঋণই একক গ্রাহক ঋণসীমার বেশি।

তবে সমন্বয়ের জন্য কার্যত সময় পাওয়া যাবে ৬ মাস। কারণ  গত ডিসেম্বরের মধ্যেই এ ঋণ সমন্বয়ের কথা ছিল। পুঁজিবাজারের বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে এ সমন্বয় করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় সময় বাড়িয়ে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সমন্বয় করতে বলা হয়েছে।

বর্তমানে মাত্র ৫টি ব্যাংকে একক গ্রাহক ঋণসীমার অতিরিক্ত ঋণ রয়েছে

একক গ্রাহক ঋণসীমার অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয়ের সময় বাড়ানোয় ব্যাংক ভিত্তিক মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকাহাউজগুলো একটু স্বস্তির দেখা পাবে। আর এ ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে পুরো পুঁজিবাজারে।

অবশ্য মাত্র ৫টি ব্যাংকে রয়েছে একক গ্রাহক ঋণসীমার অতিরিক্ত ঋণ। এগুলো হচ্ছে- মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক। গত এপ্রিলের হিসাব অনুযায়ী, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এ ধরনের ঋণের পরিমাণ তার মূলধনের ৩০ দশমিক ৪৩ শতাংশ। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ঋণ রয়েছে ২৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ; আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ২১ দশমিক ৭৬ শতাংশ, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ২০ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং সাবসিডিয়ারিকে দেওয়া ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণের পরিমাণ মূলধনের ১৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

উল্লেখ, অনেক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজ ওই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তা দিয়ে তার গ্রাহকদের ঋণ দিয়েছে। এ ধরনের ঋণ মার্জিন ঋণ নামে পরিচিত।

বিধি অনুসারে একটি ব্যাংক একজন গ্রাহক, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপকে তার (ব্যাংকের) মূলধনের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দিতে পারে। কিন্তু বেশ কিছু ব্যাংক তার সহযোগী মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজকে এর চেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে। এ ঋণ সমন্বয়ের জন্যই সময় বাড়ানো হল। এর আগে এ সময়সীমা আরও কয়েক দফা বাড়ানো হয়।

২০১০ সালে ১৫ টি ব্যাংকে একক গ্রাহক ঋণসীমার বেশি ঋণ ছিল। বাংলাদেশের ব্যাংকের তাগিদে গত পাঁচ বছরে ১০টি ব্যাংক তাদের দেওয়া ঋণ সমন্বয় করে নির্ধারিত সীমার মধ্যে নিয়ে এসেছে।

তবে সময় বাড়লেও কোনো প্রতিষ্ঠান ঋণের পরিমাণ বর্তমানের চেয়ে বাড়াতে পারবে না। এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এই বিভাগের আরো সংবাদ