'৬ মাসের মধ্যে ৪ দেশে সড়ক যোগাযোগ চালু'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » জাতীয়

‘৬ মাসের মধ্যে ৪ দেশে সড়ক যোগাযোগ চালু’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল-ভুটানের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বাস্তবায়নে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে নির্ধারিত ছয় মাসের মধ্যেই এ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হবে।

শনিবার রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের

সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল-ভুটানের মধ্যে সই হওয়া মোটরযান চলাচল চুক্তি নিয়ে বেসকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এ সেমিনারের আয়োজন করে।

‘পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্য সুবিধা ও মোটরযান চলাচল চুক্তির বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এ চুক্তি বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ অনেক আছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই নির্ধারিত ছয় মাসের মধ্যেই চুক্তি বাস্তবায়ন করা হবে।’

মন্ত্রী আরও জানান, চার দেশের মধ্যে মোটরযান চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) তিন বছর সময় চেয়েছিল। কিন্তু তিনি ও অন্যান্য দেশের মন্ত্রীরা ছয় মাসের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা বলেছেন- কারণ বাস্তবায়নের দীর্ঘসূত্রিতা হলে চুক্তি হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সেমিনারে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশ-ভারত সড়ক যোগাযোগ চালুর জন্য সড়ক, রেল ও নৌপথ অবকাঠামো তৈরিতে প্রায় ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় হবে। আর বাংলাদেশের ভেতরে বিদ্যমান সড়ক অবকাঠামো আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কিলোমিটার প্রতি ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চুক্তি বাস্তবায়নের শুধু পরিকল্পনা কিংবা রূপরেখা তৈরিই যথেষ্ঠ নয়, বরং বাস্তবায়নে সকল পক্ষের সমান অংশগ্রহন ও অর্জন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। একই সঙ্গে সাধারন জনগণের সামনে বাস্তবায়ন পর্যায়ের কার্যক্রমে স্বচ্ছতার সঙ্গে তথ্য উপস্থাপন করতে হবে।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই সভাপতি মতলুব আহমেদ, সিপিডি ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরন, নেপালে রাষ্ট্রদূত হরি কুমার শ্রেষ্ঠ, ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী মুজিবুর রহমান, সাবেক সচিব মাহবুবুর রহমান এবং সোহেল আহমেদ।

এই বিভাগের আরো সংবাদ