খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলা চলবে
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলা চলবে

নাইকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে মামলার স্থগিতাদেশ বাতিল করা হয়েছে। ফলে নিম্ন আদালতে এই মামলা চলতে আর কোনো বাধা নেই।

Khaleda_Court_5

রাজধানীর বকশীবাজার মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। দুপুর সোয়া ১২টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত রায় পড়ে শোনানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ২ মাসের মধ্যে খালেদা জিয়াকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। খালেদা জিয়া যদি জামিনের অপব্যবহার না করলে তার জামিন বিবেচনা করতে বলেছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, এই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়া যে রিট আবেদনটি করেছিলেন ওই আবেদনের ওপর রুল দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। আজকের রায়ে তা খারিজ করা হয়েছে। আদালত মামলার স্থগিতাদেশ বাতিল করেছেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ.এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এই বিষয়ে চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলার পর আপিল করা হবে।

নাইকো দুর্নীতি মামলা: ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়াসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ২০০৮ সালের ৫ মে এই মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। অভিযোগপত্রে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

পরে নাইকো মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ও নিম্ন আদালতে মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই মামলার কার্যক্রম স্থগিতের পাশাপাশি হাইকোর্ট রুল দেন। ওই সময় থেকে মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

প্রায় ৭ বছর পর চলতি বছরের শুরুতে মামলাটির কার্যক্রম আবার চালু করার উদ্যোগ নেয় দুদক। গত ১৯ এপ্রিল রুলের ওপর শুনানি শুরু হয়, ২৮ মে শুনানি শেষ হয়। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ.জে. মোহাম্মদ আলী। তাকে সহযোগিতা করেন রাগীব রউফ চৌধুরী ও জাকির হোসেন ভূঁইয়া। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এই বিভাগের আরো সংবাদ