ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিল্ডিং ইনোভেশন এক্সপো সেপ্টেম্বরে
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » জাতীয়

ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিল্ডিং ইনোভেশন এক্সপো সেপ্টেম্বরে

টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন এবং পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষ্যে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাচ্ছে ৩ দিনের বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিল্ডিং ইনোভেশন সামিট অ্যান্ড এক্সপোজিশন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক্সপোনেট এক্সিবিশনের উদ্যোগে ও ইজি অটোমেশনের প্রধান পৃষ্টপোষকতায় এই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

BITI

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিল্ডিং ইনোভেশন সামিট অ্যান্ড এক্সপোজিশনের প্রাক-প্রদর্শনী ও সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে এই আয়োজনের প্রাক-প্রদর্শনী ও সম্মেলনের উদ্বোধন করেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমেদ ভুঁইয়া, অ্যাসোসিয়েশন অব কনসাল্টিং ইঞ্জিনিয়ার্সের সভাপতি এস.এম. শাহিদুল্লাহ, বিকেএমইএর দ্বিতীয় সহ-সভাপতি মো. মনসুর আহমেদ, জার্মান ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (জিআইজেড) সিনিয়র অ্যাডভাইজার ও এস.ই.ডি. দিলদার আহমেদ তৌফিক, ৩৫০ ডিগ্রি টোটাল সল্যুউশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনন্ত আহমেদ ও ইজি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুলফিকার আলী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, শিল্পনীতি-২০১৫ মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের জন্য বিনিয়োগ উপযোগী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রণোদনার নীতি গ্রহণ করা হচ্ছে। এর ফলে দ্রুত পরিবেশবান্ধব শিল্প উদ্যোগ বিকশিত হবে।

২০২১ সালের মধ্যে শিল্প সমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়ন সম্ভব দাবি করে মন্ত্রী বলেন, শিল্প ও নির্মাণ বর্জ্য আমাদের দ্রুত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে তাই পরিশোধনের মাধ্যমে তা পুনর্ব্যবহার করতে হবে। আর এজন্য বেসরকারি খাতকেই এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পখাতের অবদান ৩২ শতাংশ এবং শিল্প শ্রম শক্তির পরিমাণ ২০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৪০ শতাংশ এবং শিল্প খাতে শ্রমশক্তি নিয়োগের হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে দেশে পরিবেশবান্ধব সবুজ শিল্পায়নের ধারা জোরদার করতে হবে। পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।

এক্সপোনেট এক্সিবিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদুল হক বলেন, দেশীয় বিকাশমান শিল্প-কারখানার আধুনিকায়নে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহার ও স্থানীয় বাজারে এর সহজপ্রাপ্যতা জরুরি। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে নবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক শক্তি, কার্বন নিরপেক্ষ পরিবেশ, দিনের আলোর ব্যবহার, বায়ুচলাচল নিয়ন্ত্রণ, বৃষ্টির পানিকে পুনর্ব্যবহার করে কীভাবে দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলী নির্মাণ করা যায় তা জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাণিজ্যে দেশীয় শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সক্ষম করে তুলতে আন্তর্জাতিক যৌথ বিনিয়োগ সহায়তা, সরকারের নীতি নির্ধারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের মধ্যে দূরত্ব কমাতে প্রদর্শনীর পাশাপাশি ৩ দিনের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এছাড়া ৩ দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ইনোভেটিভ অটোমেশন, ফায়ার সেফটি, গ্রিন বিল্ডিং, হিটিং কন্ট্রোল অ্যান্ড এনার্জি ম্যানেজমেন্ট, স্টিল স্ট্রাকচার, কংক্রিট, সিরামিক ও সিমেন্টের ব্যবহারের উপর ভিডিও উপস্থাপন ও উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সবুজায়ন ব্যবসা নীতি গ্রহণ, কল-কারখানায় লো-কার্বণ প্রযুক্তি ব্যবাহারের কার্যকারিতা ও উপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারবে।

অর্থসূচক/জিইউ

এই বিভাগের আরো সংবাদ