'অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

‘অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

পোশাক শিল্পের অগ্রগতিতে পশ্চিমা ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের নেওয়া নানা পদক্ষেপকে অনাকাঙ্খিত মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, এই দুই জোট সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশের একটি পোশাক কারখানার ছবি।

বাংলাদেশের একটি পোশাক কারখানার ছবি।

সোমবার সচিবালয়ে পোশাক শিল্প খাত সংশ্লিষ্ট সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং বিটিএমইএর সঙ্গে বৈঠকে বক্তাদের এক অভিযোগের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স পোশাক শিল্পের গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তাদের অযাচিত পদক্ষেপ পোশাক খাতের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করছে।

বৈঠকে পোশাক শিল্প রক্ষায় প্রস্তাবিত বাজেটে আরোপিত রপ্তানি খাতে উৎস কর ০. ৩০  শতাংশ থেকে ১ শতাংশে উন্নীতকরণ, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে ধার্যকৃত ১ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানান ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনাদের মূল এ দাবি দুটি আমার একার বিষয় নয়। বাণিজ্য, শিল্পসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলতে হবে।

এসময় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার বাউশিয়ায় বিজিএমইএ- ওরিয়েন্টাল ইন্টারন্যাশনাল ইন্ড্রাষ্টিয়াল পার্ক দ্রুত প্রতিষ্ঠা করার তাগিদ দেন মন্ত্রী।

বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, রপ্তানি খাতে উৎসে কর  ০. ৩০  শতাংশ থেকে ১ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। এ বৃদ্ধির হার ২৩৩ শতাংশ, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে রপ্তানি শিল্পের স্বাভাবিক বিকাশকে ব্যাহত করবে।

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে রপ্তানিমুখী শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে ১ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এ ধরনের যন্ত্রপাতি পূর্বে ০ % শুল্কহারে আমদানি করা হতো। নতুন করে এ শুল্ক আরোপ শিল্প বিনিয়োগকে নিরুসাহিত করবে। আরোপিত ১ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করে ০% বহাল রাখার দাবি করছি।

এছাড়া বৈঠকে সেবা খাতের বকেয়া মূসক মওকুফ, বস্ত্র ও পোশাক শিল্পের ১০ শতাংশ হ্রাসকৃত হারে করারোপের মেয়াদ বৃদ্ধি করা, কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ এর ধারা ৯১ সংশোধন করার দাবি জানান ব্যবসায়ী নেতারা।

অর্থসূচক/আজম/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ