‘ধর্মীয় বিধিনিষেধই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা’
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » ব্যাংক-বিমা

‘ধর্মীয় বিধিনিষেধই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা’

সার্ক ফিন্যান্সের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, সার্ক অঞ্চলে চলমান অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান ও সম্প্রসারিত করতে হলে নতুন নতুন অর্থনৈতিক সেবার ধারণা নিয়ে আসতে হবে। তবে এ সেবা হতে হবে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন। পাশাপাশি এগুলোর সর্বোচ্চ নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।

Sarrc Financeশুক্রবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাভুক্ত (সার্ক) দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধানদের অংশগ্রহণে ৩০ সার্ক ফিন্যান্স গভর্নরস সিম্পোজিয়ামের সমাপনী অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় গভর্নর সার্কফিন্যান্সভুক্ত অঞ্চলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনতে সমাজের বিশাল অংশে ছড়িয়ে থাকা জনগোষ্ঠী সমানভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন।

স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের গভর্নর আশরাফ মাহমুদ ওয়ার্থার সভাপতিত্বে সমাপনী অধিবেশনে আরও বক্তব্য রাখেন রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার গভর্নর ড. রঘুরাম রাজন, নেপালের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর রাজেন্দ্র পণ্ডিত, সেন্ট্রাল ব্যাংক অব শ্রীলংকার গভর্নর মাহিন্দ্র শ্রীবর্ধন প্রমুখ।

আলোচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পরিচালিত গ্রিন ব্যাংকিং এর ধারনার জন্য ড. আতিউর রহমানকে স্বাগত জানিয়ে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার গভর্নর ড. রঘুরাম রাজন বলেন, অন্তর্ভূক্তিমূলক অর্থনীতির উন্নয়নে গ্রিন ব্যাংকিং ধারনা সার্ক অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য অনুকরণীয়।

একই সাথে তিনি সার্ক অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়ার পেছনে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরেন। ড. রাজন বলেন, এক্ষেত্রে প্রধান বাধা হলো সার্ক অঞ্চলে সুদের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ধর্মীয় বিধিনিষেধ। এর পাশাপাশি রয়েছে দুর্নীতিগ্রস্ত খাতে সরকারের ভর্তুকিমূলক কর্মকাণ্ড ও ব্যাংক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাঝে অর্থনৈতিক জ্ঞানের অভাব।

অধিবেশনে নির্দিষ্ট কিছু এজেন্ডা নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সার্ক ফিন্যান্স ডাটাবেজ পর্যলোচনা, আঞ্চলিক সহযোগীতামূলক কর্মকাণ্ডের সীমানা নির্ধারণ প্রস্তাবে ঐক্যমত ইত্যাদি।

উল্লেখ, সদস্যভুক্ত দেশগুলো মধ্যে পারস্পারিক সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময়সহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশে সার্কভুক্ত দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৯৮ সালের অক্টোবরে সার্কফিন্যান্স গঠিত হয়।

দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, মালদ্বীপ,নেপাল, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও শ্রীলংকা।

এই বিভাগের আরো সংবাদ