রোজা: বেড়েছে চিনি ছোলা কাঁচা মরিচের দাম
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পণ্যবাজার

রোজা: বেড়েছে চিনি ছোলা কাঁচা মরিচের দাম

আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে এনে নানা অজুহাতে কিছু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট চক্র ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে। এই মাসে কোনোভাবেই নিত্যপন্যের দাম বাড়বে না সরকারের এমন ঘোষণা সত্ত্বেও এসব চক্র পণ্যের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে।

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

রমজান আসতে এখনো এক সপ্তাহ বাকি থাকলেও ছোলা-চিনির দাম কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে। বাড়তি ভোজ্য তেল, ডাল, মসলা, পেঁয়াজ, রসুন, আদার দাম। দাম নিয়ন্ত্রণে খোলা বাজারে টিসিবির কয়েকটি পণ্য বিক্রি অব্যাহত থাকলেও রাজধানীর স্থানীয় বাজারগুলোতে তেমন প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে না। বরং যতই রমজান ঘনিয়ে আসছে পণ্যের দাম ধীরে ধীরে বাড়ছে।

শুক্রবার রাজধানীর শান্তিনগর বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোলা, চিনি, বেসন ও ভোজ্যতেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। চিনিতে কেজিপ্রতি নেওয়া হচ্ছে ৪ থেকে ৫ টাকা বেশি। কেজিপ্রতি খোলা চিনি ৪৪- ৪৫ টাকা, প্যাকেট ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, ছোলা কেজিপ্রতি ৬৮ থেকে ৭৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছেন দোকানীরা।

দোকানী দেলোয়ার হোসেনের দাবি, পণ্যের দাম এখনো বাড়েনি। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে চাল, ডাল, তেল ও মসলার বাড়তে পারে।

বাড়তি ভোজ্য তেলের দাম। প্রতিকেজি খোলা সয়াবিন তেল ৯০ থেকে ১০০ টাকা, বোতলজাত পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেল (রুপচাঁদা) ৪৯০ টাকা, ফ্রেশ ৪৬৫ টাকা, পুষ্টি ৪৬৫ টাকা বিক্রি করছেন দোকানীরা।

কেজিপ্রতি পেঁয়াজ (আমদানি) ৩৮ থেকে ৪০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা, ভারতীয় রসুন ১১০ টাকা, দেশি আদা ১৩০ টাকা কেজি, শুকনা মরিচ ১৭০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১২০ টাকা, ভারতীয় মশুর ডাল ৯০ টাকা, খেসারি ডাল ৫৫ টাকা, মুগ ডাল ১২০ টাকা, মাসকলাই ১১০ টাকা, বেসন ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কেজিপ্রতি আলু ২৪ টাকা, শষা ৩৬ টাকা, পটল ৩০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, করলা ৩৬ টাকা, ঢেড়স ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৩০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ টাকা, কাঁচ কলা ৩২ টাকা, লাউ ৪০ টাকা, লেবু (হালি) ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। কেজিপ্রতি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৬ টাকা। এছাড়া বাজারে লালশাক, ডাটা, পুঁইশাকের আঁটি ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।

প্রতিহালি মুরগির ডিম (ফার্ম) ২৮ টাকা, দেশি হাঁসের ডিম ৪০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ৪২ টাকা।

গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা, খাসির মাংস ৫৫০-৫৬০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৬৫-১৭০ টাকা, লেয়ার মুরগি ১৬৫ টাকা, দেশি মুরগি ২৫০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্যাংক কর্মকতা নাসির উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, সরকার রমজানে দাম বাড়বে না বলে ঘোষণা দিলেও রমজানের আগেই দাম বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। কয়েকটি পণ্যেও দাম বাড়তি। সরকার ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট দৌরাত্ম নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দাম বাড়বে, সেক্ষেত্রে আমাদেরও বিপদে পড়তে হবে।

চাল মিনিকেট কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৬, নাজির শাইল ৫৩ থেকে ৫৫, পারি চাল ৪০ টাকা, বিআর আটাশ ৪০ টাকা, স্বর্ণা ৪২ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

মাঝারি আকারের জোড়া ইলিশ ১ হাজার ২০০ টাকা, চিংড়ি ৭ শ’ থেকে ৯ শ’ টাকা, কেজিপ্রতি রুই ৩২০ টাকা, কাতলা ৩৫০টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ টাকা, কৈ (চাষের) ২৪০ টাকা, সিলভার ১৩০ টাকা, পাঙ্গাস ১১০ টাকা, টেংরা ৩৬০ টাকা, শোল মাছ ৪৭০, কাচকি মাছ ৩০০ টাকা, শিং (দেশি) ৪৫০ টাকা।

এই বিভাগের আরো সংবাদ