প্লাস্টিকসহ সব রপ্তানি পণ্যে আগের উৎসে কর বহাল দাবি
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

প্লাস্টিকসহ সব রপ্তানি পণ্যে আগের উৎসে কর বহাল দাবি

BPGMEA_BD

সোমবার রাজধানীর পল্টনে বিপিজিএমইএর নিজস্ব কার্যালয়ে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের ওপর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন অ্যাসোসিয়েসনের নেতারা।

প্লাস্টিকসহ সব রপ্তানি পণ্যের মূল্যের ওপর আগের উৎসে কর বহাল করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ)। আগের উৎসে কর ছিল ০ দশমিক ৮০ শতাংশ। আগামী ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে তা বাড়িয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর পল্টনে বিপিজিএমইএর নিজস্ব কার্যালয়ে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের ওপর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা এ প্রস্তাব করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিপিজিএমইএ এর সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে প্লাস্টিকসহ সব রপ্তানি পণ্যের মূল্যের ওপর ১ শতাংশ হারে উৎস কর কর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে রপ্তানিকারকরা বিদেশি পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে।

প্রস্তাবিত বাজেটের বিভিন্ন ইতিবাচক দিকগুলোকে স্বাগত জানিয়ে বিপিজিএমইএএর সভাপতি বলেন, এ বাজেটে দেশের আর্থিক খাতের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে; যা বাস্তবায়ন হলে দেশের অর্থনীতি আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ইতিবাচক দিক থাকলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে কিছু সিদ্ধান্ত নেতিবাচক। যা শিল্পের প্রসারে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

জসিম উদ্দিন বলেন, প্লাস্টিকসহ সব শিল্পের মৌলিক কাঁচামালের শুল্ক ৫ শতাংশ বহাল রাখা হয়েছে যা আমাদের কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয়নি। কাঁচামালের শুল্ক ১ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি। একই সাথে প্লাস্টিকের তৈরি টিস্যু হোল্ডার, আইস ট্রে, আইস স্কুপ, হ্যাংগার ইত্যাদির ওপর থেকে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে এসব পণ্য বিশেষ করে বাংলাদেশি হ্যাঙ্গার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। তাই পূর্বের মতো ভ্যাট অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দাবি ছিল, দেশিয় শিল্প প্রতিরক্ষণের স্বার্থে সম্পূরক শুল্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে নির্ধারণ করা। কিন্তু বাজেটে সম্পূরক শুল্ক পূর্বের চেয়ে আরও কমিয়ে ৬০ শতাংশ এর জায়গায় ৪৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে স্থানীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অন্যদিকে নিম্নমানের তৈরি পণ্যে বাজার সয়লাব হয়ে যাবে। তাছাড়া আন্ডার ইনভয়েসের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে জন্য আমরা সম্পূরক শুল্ক পূর্বের অবস্থায় অর্থাৎ ৬০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ উন্নয়ন ও শিল্প স্থানান্তরের জন্য বিশেষায়িত শিল্প পার্ক স্থাপন, প্লাস্টিকের খেলনা আইটেমের উপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার ও প্লাস্টিক সেক্টরকে কর অবকাশের আওতায় আনার দবি জানান তিনি।

এসএমএস

এই বিভাগের আরো সংবাদ