কালকিনি নির্বাচন অফিসে অগ্নিসংযোগ:আটক ৬
রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » ঢাকা

কালকিনি নির্বাচন অফিসে অগ্নিসংযোগ:আটক ৬

ecfমাদারীপুরের কালকিনিতে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালকিনি উপজেলা নির্বাচন অফিসে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এতে মোটরসাইকেল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ বিএনপির ৬ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো কালকিনি পৌরসভা যুবদলের সভাপতি মেহেদী হাসান মামুন, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান, ব্যবসয়ী আসাদুজ্জামান ব্যাপারী, শ্রমিকদল নেতা ফিরোজ আহম্মেদ, কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক আতিকুর রহমান সুজন ও ছাত্রদলকর্মী মফিজুর রহমান। তাদের মঙ্গলবার সকালে জেলে পাঠানো হয়েছে।

কালকিনি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এসএম গোলাম মোস্তফা জানান, প্রায় ১ সপ্তাহ আগে থেকে নির্বাচন অফিসের নিরাপত্তার জন্য ৪ জন পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে অফিসের ভিতরে হঠাৎ আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পানি ও বালু দিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় অফিসের কর্মচারী হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে আতিকুল ইসলাম সুজন ও ফিরোজ হোসেন নামে দুই জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫ জনকে আসামী করে রাতেই কালকিনি থানায় মামলা দায়ের করা কর।ে

তিনি জানান, ঐ ঘটনার পর মঙ্গলবার সকাল থেকে অতিরিক্ত আরো ৮ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমূল হুদা বলেন, নির্বাচন অফিসের পিছনের জানালার গ্লাস ভেঙে পেট্রোলবোমা সদৃশ নিক্ষেপ করা হয়। এতে প্রথমে ধোয়া ও পরে আগুন ধরে যায়। রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পেট্রোল বোমা, মই ও মশাল উদ্ধার করা হয়।

কালকিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক ব্যাপারী বলেন, নির্বাচন অফিসে আগুন দেয়ার মত সাহস কালকিনিতে আমরা রাখি না। সরকারদলীয় নেতাদের অর্ন্তকোন্দলের জের ধরে এ ঘটনা ঘটিয়ে এখন আমাদের ওপর দোষ চাপাতে চাচ্ছে।

মাদারীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আবু বকর সিদ্দিক জানান, এই নাশকতার ঘটনায় কালকিনি থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় এপর্যন্ত আমরা ৬ জনকে গ্রেফতার করেছি। নির্বাচন অফিস এলাকায় আগুনের ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এসইউ

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ