বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডিএসইর বৈঠক আজ, সময় চাবে প্রভিশনিংয়ের
বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পুঁজিবাজার

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডিএসইর বৈঠক আজ, সময় চাবে প্রভিশনিংয়ের

bangladesh_Bank_dseবাংলাদেশ ব্যাংক ও দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বৈঠকে বসবে আজ। আর এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আলোচ্য এজেন্ডা হলো ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মার্জিন ঋণের পুর্নমূল্যায়নজনিত অনাদায়কৃত ক্ষতির(আনরিয়েলাইজড লস)বিপরীতে সঞ্চিতি (প্রভিশন)। আজ বেলা সাড়ে ১২টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করবে ডিএসই। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটু ও ডিএসইর পরিচালকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

ডিএসইর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, ‘পুঁজিবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের পুন:অর্থায়ন সহায়তা দিতে ৯০০ কোটি টাকার তহবিলের প্রথম কিস্তির ৩০০ কোটি টাকা বন্টনের বিষয়ে আলোচনা হবে।’

এ বিষয় ডিএসইর সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অর্থসূচকে বলেন, আজকে আমাদের বৈঠকের মূল এজেন্ডা হলো প্রভিনিং। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরে প্রভিশনিংয়ের সময় শেষ হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে এর সময় বাড়ানোর দাবী জানানো হবো্ তবে এই দাবী হবে আগামি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এর আগে গত ১৮ নভেম্বর বিকেলে ডিএসইতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আনরিয়েলাইজড লসের বিপরীতে ২০ শতাংশ প্রভিশনিং সুবিধা আরও দু’বছর বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিল ব্যাংক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো। বৈঠক মার্চন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে ২২টি ব্যাংক ব্রোকারের ৫ হাজার ১৯৬ কোটি টাকা আনরিয়েলাইজড লস রয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি বছরে ডিসেম্বরের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রভিশন সংরক্ষণের বিশেষ নির্দেশনা (২০ শতাংশ) পালন করতে হবে। কিন্তু ২২টি ব্যাংক এ শর্ত পরিপালনে সক্ষম হয়নি। এ প্রেক্ষাপটে ব্যাংক ব্রোকাররা আনরিয়েলাইজড লসের বিপরীতে প্রভিশনিং সুবিধা আরও দু’বছর বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে।

বৈঠকে বন্ড ছেড়ে ব্যাংক ব্রোকারদের ইক্যুইটি (মূলধন) বাড়ানোর পক্ষে দু’পক্ষের মধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। এ ব্যাপারে ব্যাংক ব্রোকাররা ডিএসইর কাছে লিখিত আবেদন জানায়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই বোর্ড সভায় সদস্যদের সম্মতি নিয়ে তা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করার সিদ্ধান্ত হয়।

প্রসঙ্গত, ব্যাংক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর দাবির মুখে গত ১৯ ফেব্রুযারি বিএসইসির পক্ষ থেকে এসব প্রতিষ্ঠানকে শতভাগের পরিবর্তে আনরিয়েলাইজড লসের বিপরীতে ২০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়া হয়। এজন্য চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ৫ কিস্তিতে প্রভিশন সংরক্ষনের সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়।

এই বিভাগের আরো সংবাদ