মঞ্জুর হত্যা মামলার রায় ১০ ফেব্রুয়ারি

Monjur-ershadমঞ্জুর হত্যা মামলার রায়ের দিন আগামি ১০ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেছেন মহানগর মূখ্য হাকিম আদালত। বুধবার মামলার আসামি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হোসনে আরা আক্তারের আদালত।

ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত অস্থায়ী এজলাসে গত ২০ নভেম্বর আসামিপক্ষে আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। ওই দিন এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) আসাদুজ্জামান খান জানান পরবর্তী ধার্য তারিখ ২৪ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত রায়ের তারিখ ধার্য করবেন।

কিন্তু সে সময় আদালত যুক্তিতর্কের বিষয়ে অধিকতর শুনানির জন্য ২২ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

১৮ বছর আগে দায়ের করা এই মামলাটি দীর্ঘদিন ঝুলে থাকলেও আগের বছরের মাঝামাঝি মামলাটির বিচারকাজ গতি পায়। এরপর আবার মামলাটির শুধু যুক্তিতর্ক নিয়ে একাধিক তারিখ পরিবর্তন করা হয়। এরই মধ্যে গত আগস্টে মামলার বিচারক পরিবর্তন হয়।

এ মামলার মোট আসামি পাঁচজন। সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন মেজর (অব.) কাজী এমদাদুল হক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোস্তফা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল লতিফ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) শামসুর রহমান শামস। এর মধ্যে শেষ দুজনের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত আছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সেনা অভ্যুত্থানে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। তখন চট্টগ্রামে অবস্থিত সেনাবাহিনীর ২৪তম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার স্টাফ (জিওসি) ছিলেন মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর। জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর আত্মগোপনে যাওয়ার পথে মঞ্জুরকে পুলিশ আটক করে। এরপর ২ জুন মেজর জেনারেল মঞ্জুরকে পুলিশ হেফাজত থেকে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়।

ঘটনার ১৪ বছর পর ১৯৯৫ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুরের ভাই আইনজীবী আবুল মনসুর আহমেদ চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন। ১৯৯৫ সালের ২৭ জুন এরশাদসহ পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।