খুচরা বাজারে কমছে না আদার দর

আদা

আদারাজধানীর খুচরা বাজারে কমছে না আদার দাম। শ্যামবাজারের ১০৫ টাকার চায়না আদা শান্তিনগর বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি দরে।পেঁয়াজ রসুনের চেয়ে আদার দামের পার্থক্য সবচেয়ে বেশি।

বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজার থেকে নতুন আদা কেনার পরে রোদে শুকিয়ে বিক্রি করতে হয়। এতে করে আদার পরিমান কমে যাচ্ছে। এতে একটু বেশি দরে বিক্রি না করলে খুচরা বিক্রেতাদের লোকসান গুনতে হবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তাছাড়া অন্যান্য পণ্যের চেয়ে আদার বিক্রি এখন কম বলে জানান তারা।

এদিকে শ্যামবাজারের আদা আমদানিকারকরা বলছেন, দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা কমলেও তাদের বিক্রি বাড়েনি। এছাড়া বেচা-বিক্রি কমে যাওয়ায় তারা ১০ থেকে ১৫ টাকা লোকসানে আদা বিক্রি করছেন। চলতি বছরের শুরু থেকে সব ধরণের পণ্য বিক্রি কয়েকগুন কমেছে বলে দাবি করেন তারা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শ্যামবাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারিতে চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা কেজি দরে। যা খুচরাতে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, ভারতের কেরেলা আদা ৯২ টাকা-খুচরাতে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা, মিয়ানমারের আদা ৭৫ টাকা-খুচরাতে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কথা হয় অজয় ট্রেডার্সের আমদানিকারক অসীম সাহার সঙ্গে। তিনি দোকানে আদা, রসুন, হলুদ, মরিচসহ যাবতীয় কৃষি পণ্য পাইকারি বিক্রি করেন। তিনি অর্থসূচককে জানান, বিগত কয়েকমাস ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দোকানে বিক্রি কমে গেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার আগের সময়ে দুই ট্রাক মাল আসলে অধিকাংশই বিক্রি হয়ে যেত। তবে এখন সেই বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে বলে জানান করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এখন বাজারে আদার চাহিদা কম। তাতে বিক্রিও কমেছে। খরচসহ চায়না ১২০ টাকা কেজি দরে কিনে এনে এখন ১০৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শান্তিনগর বাজারে বিক্রেতা রুহুল আমিন অর্থসূচককে জানান, পাইকারি বাজারে আদার দর কম থাকলেও খুচরা বাজারে এই দামের তফাত রয়েছে।

তিনি বলেন, পাইকারি বাজার থেকে ভিজে আদা কিনে আনতে হয়। তা আবার রোদে শুকিয়ে বিক্রি করতে হয়। কারণ ভিজে ক্রেতারা নিতে চায় না। এতে ১০ কেজি আদা আনলে ১ থেকে দেড় কেজি কমে যায়। এতে একটু বেশি দরে বিক্রি না করলে লোকসান গুনতে হয় বলে জানান তিনি।