রাজপথে কেজরিওয়াল, আন্দোলন চলবে

Kejriwal

Kejriwalআবার আন্দোলনে নেমেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। নারী নিগ্রহের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা বহিষ্কার নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নিস্পৃহতার বিরুদ্ধে শুরু করেছেন ধর্ণা আন্দোলন। দিল্লির রাজপথ এবং রাজনীতিকে বানিয়েছেন আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ। কেজরিওয়ালের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার কারণে এই আন্দোলনকে ট্যারা চোখে দেখতে শুরু করেছেন ভারতের সরকার এবং বিরোধী দলের সদস্যরা। তাই চারদিক থেকে ছুটে আসতে থাকে কথার বাণ। কিন্তু যে যাই বলুক না কেন দিল্লির মূখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আন্দোলন চলবে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

সম্প্রতি দিল্লিতে নারী নিগ্রহের ঘটনায় চার পুলিশ কর্মকর্তাকে বহিষ্কারের আদেশ দিয়েছিল কেজরিওয়াল সরকার। কিন্তু দিল্লির ঘাড়-তেড়া পুলিশ বিভাগ প্রদেশ সরকারের নির্দেশ পালন করতে রাজি নয়। কারণ রাজধানী হওয়ার কারণে দিল্লি পুলিশ বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। এরই প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীলকুমার সিন্ধেকে ওই কর্মকর্তাদের বহিষ্কারের অনুরোধ জানান কেজরিওয়াল। কিন্তু তিনিও বিচারবিভাগীয় তদন্তের বাহানা দিয়ে পাশ কাটিয়ে যান দিল্লি সরকারকে। তাই নিরুপায় দিল্লি মূখ্যমন্ত্রী নিজ মন্ত্রিসভার সদস্যাদের নিয়ে শুরু করেন ‘ধর্ণা আন্দোলন’।

সোমবার ধর্ণার প্রথম দিনেই বেঁকে বসে কেন্দ্রীয় সরকার। রেল ভবনের সামনেই আটকে দেওয়া হয় কেজরিওয়াল এবং অন্যদের। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আম আদমি  সিদ্ধান্ত নেয় অবস্থান ধর্মঘটের। দিল্লির চারটি মেট্রো রেল স্টেশন থেকে সব ধরনের রেল যাত্রা বাতিল করা হয়। কেজরিওয়ালের আহ্বানে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার মানুষ নেমে আসে রাস্তায়।

দিল্লি মূখ্যমন্ত্রী রেল ভবনের সামনে রাস্তাতেই একই সাথে চালিয়ে যাচ্ছেন ধর্ণা এবং প্রদেশ সরকারের দাপ্তরিক কাজ। তীব্র শীত উপেক্ষা করে রাস্তাতেই কাটিয়েছেন আন্দোলনের প্রথম রাত। তার ঘোষণা দিল্লির মেয়েদের অরক্ষিত রেখে বিছানায় তিনি ঘুমাবেন না। যে যাই বলুক না কেন আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তিনি।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, কেজরিওয়ালের দায়েরকৃত রিট আবেদন গ্রহণ করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। পুলিশ বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে নাকি প্রদেশ সরকারের এই বিতর্কের সুরাহা চেয়ে তিনি এই আবেদন করেছিলেন।