‘সংকট কাটাতে সরকার-ব্যবসায়ীদের কাজের সমন্বয় জরুরি’

tofayel

tofayelসাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতায় অর্থনৈতিকভাবে দেশ যতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার এবং ব্যবসায়ী মহলের কাজের সমন্বয় জরুরি বলে মনে  করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর একটি হোটেলে বাণিজ্যমন্ত্রণালয় আয়োজিত দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ব্যবসায়ীরাই একটি দেশের উন্নয়নের চালিকা শক্তি। তাদের ওপর নির্ভর করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতি সহিংসতার কারণে অর্থনৈতিক উন্নয়নের বেশ ভাটা পড়েছিল। আর এই ক্ষতি দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় ও বাণিজ্যমন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করলেই তা অতি দ্রুত পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা কোন রাজনৈতিক দল করেন তা মুখ্য নয়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে তাদের অধিক মনোযোগী হওয়া উচিৎ। আর এ ক্ষেত্রে বাণিজ্যমন্ত্রণালয় সকলকেই সহায়তা করবে।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা অন্যান্য দেশের ব্যবসায়ীদের চেয়ে অনেক দক্ষ। তাদের উদ্যোগের কারণে রাজনৈতিক সমস্যা থাকলেও অর্থনৈতিক উন্নয়নের  দিক দিয়ে দেশ বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের কাজই হলো ব্যবসায়ীদের নিয়ে। তাই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবসায়ীদের থেকে সহযোগিতার প্রত্যাশা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এ সময় তিনি বাংলাদেশ-চিন-ভারত-মায়ানমারের (বিসিআইএম) গঠনের মাধ্যমে এসব দেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, সরকার গঠনের পর জিএসপি সুবিধা নিয়ে আলোচনার অগ্রগতি হয়েছে, বালি সম্মেলনের সুফল ও টিকফা চুক্তির সুফল আগামি মার্চের পাওয়া যাবে।

এ সময় আলোচনা অংশ নেন এফবিসিসিআই’র সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, সহ-সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী, বিজিএমইএ’র সভাপতি আতিকুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি সালাম মুর্শেদী, বিকেএমইএ’র সভাপতি সেলিম ওসমান, প্রথম সহ-সভাপতি মো. হাতেম, বেসিস সভাপতি রোকেয়া আক্তার, ওষুধশিল্প সমিতির সভাপতি সালমান এফ রহমানসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।