সাম্প্রদায়িক হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্তর্ভুক্ত: কামরুল

Kamrul
খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম

Kamrulজঙ্গিবাদী সাম্প্রদায়িক হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্তর্ভুক্ত আর এর বিচার এই সরকারের আমলেই করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জনতার প্রত্যাশা আয়োজিত ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অগ্রযাত্রা- দেশবাসীর সহযোগীতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

কামরুল বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলমান প্রক্রিয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় জঘন্য এই অপরাধের নেতৃত্বদানকারী শীর্ষ নেতাদের বিচার করার মধ্য দিয়ে আমরা এই প্রক্রিয়া শুরু করেছি যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, সত্যিকার মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচয় করার জন্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে বাংলাদেশ এখন খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয়েছে।

সরকারের শপথ গ্রহণ সাধারণ মানুষের মাঝে আশার ঝলকানি সৃষ্টি করেছে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে অনেক উৎকণ্ঠা আর অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও সফল নির্বাচন অনুষ্ঠান ও সরকার গঠনের পর জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। জনগণকে সাথে নিয়ে সরকার গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাবে। এ সময় নাশকতা ও সন্ত্রাসের পথ পরিহার করে গণতান্ত্রিক কৌশলগত রাজনৈতিক আন্দোলনে আসতে বিএনপিকে আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের প্রচার-সম্পাদক এবং সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ বলেন, বিএনপির আন্দোলন জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপির আন্দোলনে একদিকে জনগণের অসম্পৃক্ততা আর অন্যদিকে নতুন সরকারকে বিদেশীদের সমর্থন সুস্পষ্টভাবেই তাদেরকে হতাশার গহ্বরে নিমজ্জিত করেছে।

বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠেয় খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি আশা করব আন্দোলনের নামে সহিংসতা ও নাশকতা চালিয়ে মানুষ হত্যা করার জন্য খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলনে জাতির কাছে ক্ষমা চাইবেন এবং একই সাথে মৌলবাদী জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করে শেখ হাসিনার সাথে একসঙ্গে কাজ করে যাওয়ারও ঘোষণাও দিবেন।

বাংলাদেশ কৃষক লীগের জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্ঠান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বাবু চিত্তরঞ্জন দাস, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান দুর্জয়, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা জি এম আতিকসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

এসএসআর/এএস