বেড়েছে মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি
সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

বেড়েছে মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দীর্ঘদিনের নানা অনিশ্চিয়তা কেটে যাওয়ায় দেশে অর্থনীতির চাকা সচল হচ্ছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ায় বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। বেড়েছে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির পরিমাণ।

Factory

উৎপাদনশীল একটি কারখানায় মূলধনী যন্ত্রপাতি। ফাইল ছবি

চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) ১১৫ কোটি মার্কিন ডলারের মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয়েছে। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি। শুধু নভেম্বর মাসে আমদানি করা হযেছে ২১ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলারের মূলধনী যন্ত্রপাতি। একই সময়ে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ৪৬ কোটি ২৮ লাখ মার্কিন ডলারের ঋণপত্রের (এলসি) নিষ্পত্তি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির পরিমাণ ছিল ৯৪ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার।

এছাড়া ২০১৪ সালের জুলাই-নভেম্বর মাসে দেশে সব ধরনের পণ্যের আমদানি আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে এলসি খোলার পরিমাণও। উক্ত ৫ মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি এলসি খোলা হয়েছে।

২০১৩-১৪ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বরের মধ্যে ১ হাজার ৪৫৪ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছিল। আর চলতি অর্থবছরের একই সময়ে ১ হাজার ৬২০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়।

এছাড়া একই সময়ে ১ হাজার ৭৭৩ কোটি মার্কিন ডলারের নতুন এলসি খোলা হয়েছে। আগের অর্থবছর একই সময়ে ১ হাজার ৫৪৫ কোটি মার্কিন ডলার এলসি খোলা হয়েছিল।

আলোচ্য সময়ে বিভিন্ন শিল্পের জন্য ৬১৬ কোটি মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করা হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরে এসব পণ্যের আমদানি প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ব্যবসায়িক মন্দার মধ্যেও ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে শিল্পের জন্য ৫৯৬ কোটি মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করা হয়েছিল।

দেশের খাদ্য উৎপাদন বাড়ায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে চাল ও গম আমদানির পরিমাণ কমেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে এসব পণ্যের আমদানি ৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ কমেছে। গত অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে ৬০ কোটি ৫৩ লাখ মার্কিন ডলারের চাল ও গম আমদানি করা হলেও চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা ৫৬ কোটি ৫৭ লাখ মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে।

আলোচ্য সময়ে ২৮ দশমকি ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে জ্বালানি তেল আমদানিতে। গত অর্থবছরের একই সময়ে ১৪৬ কোটি ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি হলেও চলতি অর্থবছরে আমদানি করা হয়েছে ১৮৭ কোটি মার্কিন ডলারের জ্বালানি তেল।

এসএই/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ