নরসিংদীতে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়াদৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

Norsinghdi

Norsinghdiনরসিংদীতে অনুষ্ঠিত হলো গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়াদৌড় প্রতিযোগিতা। ১০ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেলে জেলার শিবপুর উপজেলার তেলিয়া-পুরান্দিয়া ধান সবুজের মাঠে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতাকে ঘিরে গ্রামজুড়ে বিরাজ করেছিল দারুণ এক উৎসবের আমেজ। প্রতিযোগিতা দেখতে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো দর্শক জড়ো হয়েছিলেন সেখানে।

শিবপুরের পুটিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবসমাজের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যবাহী এ ঘৌড়দৌঁড় প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ১২টি ঘোড়া অংশ নেয়। প্রথমবারের মত এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করায় দর্শক উপস্থিতির কমতি ছিল না। উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন দূরদূরান্ত থেকে আসা সকল বয়সের দর্শনার্থীরা। এ সময় ভবিষ্যতে এ ধরণের আয়োজন অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন আগন্তুক দর্শকরা।

প্রতিযোগিতার আয়োজক কমিটির সভাপতি স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: শাহিনুর রহমান শাহিন জানান, গ্রামীণ ঐতিহ্য ধরে রাখা ও দর্শকদের আনন্দদানের জন্যই ঐতিহ্যবাহী এই ঘৌড়দৌঁড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। তবে হঠাৎ করে আয়োজনের কারণে খেলার পরিবেশটা খুব একটা সু-শৃঙ্খল ছিল না। ভবিষ্যতে আরও সুন্দরভাবে এ ধরণের আয়োজন করা হবে।

উক্ত প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা। উদ্বোধক আবদুল মান্নান ভূঁইয়া, পরিষদের সদস্য সচিব ও চক্রধা ইউনিয়ন পরিষদের চেযারম্যান আরিফুল ইসলাম মৃধা। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-পুটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন গাজী জিনু, তেলিয়া ঝাউয়াকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোলমান মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক-সম্পাদক নাসির উদ্দিন সরকার, সমাজ সেবক আব্দুল আইয়াল মাস্টার, নাসির উদ্দিন মাস্টার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা তার বক্তব্যে বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহি ঘৌড়দৌঁড় টিকিয়ে রাখতে ভবিষ্যতে এ ধরণের আয়োজন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করা হবে।

প্রতিযোগিতায় প্রথম হয় টাঙ্গাইলের সাহেব আলীর ঘোড়া। এছাড়া, শিবপুরের খোকনের ঘোড়া দ্বিতীয় ও কিশোরগঞ্জের আবু বকরের ঘোড়া তৃতীয় স্থান দখল করে। নবনির্বাচিত সাংসদ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেন রঙ্গিন টেলিভিশন।

কেএফ