সন্ত্রাসীদের কারণে নির্বাচন বর্জন করেছিঃ মুক্তিযোদ্ধা আজাদ

আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করার অভিযোগ এনে লক্ষীপুর-৪ রামগতি-কমলনগর আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আজাদ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, সন্ত্রাসীদের কারণে নির্বাচন বর্জন করতে আমি বাধ্য হয়েছি।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে  নির্বাচন বর্জনের কারণ জানিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আজাদ বলেন, নির্বাচনের দিন সকালে আমার আসনের প্রতিটি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের কর্মীরা প্রবেশ করে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়েছে। তারা আমার পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করেছে। এজন্য আমি বাধ্য হয়ে নির্বাচন বর্জন করেছি।

নির্বাচনী কাজে বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার অভিযোগ করে তিনি  বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকে সরকার দলীয় প্রার্থী মো. আবদুল্লাহ ও তার সন্ত্রাসীরা রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তার হোসেন আমার কর্মীদের গ্রেপ্তার করে হয়রানী করার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী কাজে বাধা দিয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার এ.কে.এম. মিজানুর রহমান ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেনকে অভিযোগ করলেও আইনানুগ কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ভোটের দিন আওয়ামী লীগের থানা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহিদের লোকজন চর গাজী ইউনিয়নের বাবুল নামের আমার একজন সমর্থকের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। বাবুল বর্তমানে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

তিনি আরও বলেন, ভোটে জয় লাভের পরে আবদুল্লাহ দুই’শ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নিয়ে হরিণ মার্কা সমর্থকদের বাড়ি ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ করে এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় আমি এবং আমার সমর্থকদের জীবনে অভিশাপ নেমে এসেছে।

এমআর/