নতুন মন্ত্রীসভায় নতুন কারা থাকছেন

montrisova
ফাইল ছবি

রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দশম জাতীয় সংসদের মন্ত্রীসভার শপথ। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল এককভাবে সরকার গঠন করবে। আর  প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকবে জাতীয় পার্টি। তবে জাতীয় পার্টি সরকার গঠনে অংশ নিতে চাইলে ঐকমত্যের সরকারও গঠন করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের পাশাপাশি সরকার পরিচালনায়ও অংশ নিতে যাচ্ছে জাতীয় পার্টি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের উর্ধ্বতন এক নেতা জানিয়েছেন সর্বসাকুল্যে ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভা গঠন করা হতে পারে।

দেশে চলমান সাম্প্রদায়িক হামলা বন্ধ করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থতি নিয়ন্ত্রনে আনতে এবং বিএনপি’র যেকোনো ধরণের আন্দোলন ঠেকাতে দ্রুত সরকার গঠনের কথা ভাবছে আওয়ামী লীগ এমনটি দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

তবে নতুন মন্ত্রীসভায় বিগত সরকারের মন্ত্রীদের কে বা কারা থাকছেন, নতুন কারা আসতে পারে, নির্বাচনকালীন মন্ত্রীসভার কোন কোন সদস্য থাকবেন এসব আলোচনার পাশাপাশি  জোটের শরীকদের মধ্যেও চলছে মন্ত্রনালয় বন্টনের দর কষাকষি।

তবে দলীয় সূত্রে জানা গেছে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে যারা নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিসভায় ছিলেন তাদের প্রায় সবাই নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় থাকছেন।

নতুন সরকারের অর্থমন্ত্রণালয়ে থাকছেন পুরোনা জনই।দলীয় সূত্র জানিয়েছে আগামি মন্ত্রিসভায়ও এই পদচির দায়িত্বে থাকছেন আবুল মাল আবুল মুহিত। তিনি কমপক্ষে আরও দুই বছর এই পদ টিতে থাকতে পারেন। তার পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ফরাস উদ্দীনের নামও শোনা যাচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় পেতে পারেন আওয়ামী লীগের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। আর নির্বাচনকালীন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী থাকতে পারেন বহাল তবিয়তে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির(জেপি) সভাপতি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকেও মন্ত্রীসভার সদস্য করা হতে পারে।

মন্ত্রীসভার সদস্য হতে পারেন তরুণ সাংসদ জুনায়েদ আহমেদ পলক। সূত্রমতে তিনি আইসিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায় মন্ত্রীসভায় নতুন করে স্থান পেতে পারেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী,  প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. হাবিব-এ মিল্লাত মুন্না।

দলটির সাবেক সাধারন সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফও আসতে পারেন মন্ত্রিসভায়।

১/১১’র আর সংস্কারপন্থী হওয়ার অভিযোগে বিগত সরকারের মন্ত্রীসভায় স্থান না পাওয়া  আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রনালয়ে স্ব স্ব পদে বহাল থাকতে পারেন।