ArthoSuchak
সোমবার, ৩০শে মার্চ, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » কর্পোরেট সংবাদ

আইসিএসবি অ্যাওয়ার্ড পেল ১৫ কোম্পানি

unnamedপ্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছ কর্পোরেট কালচার প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন খাতের ১৫ প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছে ইন্সটিটিউট অব চাটার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)। ‘আইসিএসবি কর্পোরেট গভার্নেন্স এক্সসিলেন্স ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড-২০১৩’ নামে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পুরস্কার বিজয়ী কোম্পানির প্রতিনিধিদের হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

সুশাসন ও স্বচ্ছতার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রণীত বিধিমালার ওপর ভিত্তি করে ব্যাংকিং, বীমা ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সাধারণ উৎপাদন খাত, খাদ্যজাত ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং আইটি যোগাযোগসহ সেবা খাতের ১৫০টি তালিকাভুক্ত কোম্পানির হিসাব ও বার্ষিক প্রতিবেদন যাচাই করে ৫ ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রত্যেক ক্যাটাগরিতে একটি করে স্বর্ণ, রৌপ্য ও তাম্র পদক ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

পুরস্কার বিজয়ী ১৫ প্রতিষ্ঠান হলো- ব্যাংকিং খাতে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (স্বর্ণ পদক), ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড (রৌপ্য পদক) ও ইউনাইটেড কর্মাসিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (তাম্র পদক)।

বীমা ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রাইম ফাইনান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, প্রাইম ইন্সিওরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড যথাক্রমে স্বর্ণ, রৌপ্য ও তাম্র পদক লাভ করে।

সাধারণ উৎপাদন খাতে ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ স্বর্ণ, সামিট পাওয়ার লিমিটেড রৌপ্য ও প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস লিমিটেড তাম্র পদক লাভ করে।

খাদ্য ও ঔষুধ উৎপাদন খাতে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল স্বর্ণ, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল রৌপ্য ও গ্লাক্সোস্মিথ-ক্লাইন বাংলাদেশ তাম্র পদক পান।

আইটি যোগাযোগ ও সেবা খাতে সিঙ্গার বাংলাদেশ স্বর্ণ, গ্রামীণফোন লিমিটেড রৌপ্য ও বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড তাম্র পদক লাভ করে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে অতিথিরা।

পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, সরকার সব সময়ই তালিকাভুক্ত কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, জবাবদিহিতা, কর্পোরেট কালচার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর। এ সরকার ক্ষমতায় এসে ২০১০ সালে আইনের মাধ্যমে আইসিএসবি নামে বিধিবদ্ধ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে। এই প্রতিষ্ঠানটি চার্টাড সেক্রেটারিদের পেশাগত মান উন্নয়ন, বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভুমিকা রাখে।

তিনি বলেন, আইসিএসবি এ পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে যেসব প্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার পেল তারা নতুন উদ্যমে কর্পোরেট কালচার বজায় রেখে ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আর যারা পুরস্কার পাননি তারা ভবিষ্যতে নতুন কৌশলে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে এ পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন।

জুরি বোর্ডের প্রধান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিতে ব্যক্তিখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। এ খাতে স্বচ্ছতা, জবাদিহিতা ও সুশাসন থাকলে অর্থনীতির গতি খুব দ্রূত অগ্রসর হবে।

বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খায়রুল হোসেন বলেন, চার্টাড সেক্রেটারিরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মানদণ্ড বিচার করে এ দেশের কোম্পানিগুলো পরিচালিত হলে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।

এ সময় ইন্সটিটিউটের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আসাদ উল্লাহ বলেন, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইসিএসবিকে ফাইন্যান্সিয়াল বিলের অন্তভুক্ত করা দরকার।

এছাড়া রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস-এর অধীনে নিবন্ধনকৃত ১ লাখ ৩০ হাজার কোম্পানিকে উন্নতর সেবা দিতে ভারতের মতো কর্পোরেট বিষয়ক আলাদা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবি করেন তিনি।

এইউ নয়ন/এআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ