চট্টগ্রামে ট্রেন শিডিউলে বিপর্যয়

Train-Shidule

Train-Shiduleচট্রগ্রাম নগরীতে ট্রেন চলাচল শিডিউলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। নাশকতা ও নিরাপত্তার অভাবে ট্রেন চলাচল করছে না। বুধবার সকাল থেকে চট্রগ্রাম রেলস্টেশন থেকে ৫টি ট্রেন বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাবার কথা থাকলেও ছেড়ে যায় নি কোনো ট্রেন। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে সাধারন যাত্রীদের।

বুধবার সকাল থেকে ঢিলেঢালাভাবে চলছে ১৮ দলীয় জোটের ডাকা লাগাতার অবরোধের ৬০ ঘন্টা হরতালের শেষ দিন। তবে অবরোধ-হরতালের সমর্থনে নগরীর কোথাও কোনো মিছিল বা কর্মসূচি দেখা যায় নি।

চট্রগ্রাম রেলস্টেশন ব্যবস্থাপক সামশুল আলম বলেন, রেললাইনে নাশকতা ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে চট্রগ্রাম রেলস্টেশনে ডাউনট্রেন পৌঁছাতে না পারায় বিভিন্ন গন্তব্যে চট্রগ্রাম থেকে ট্রেন ছেড়ে যেতে পারে নি। গত তিনদিন ধরেই ট্রেন চলাচলে এমন শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। ঢাকা থেকে চট্রগ্রামের উদ্দেশ্যে আসা গোধূলী, সুবর্ণা এবং তূর্ণা চট্রগ্রামে এসে পৌঁছাতে পারে নি। তাই চট্রগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় নি মহানগর প্রভাতি, সুবর্ণা এক্সপ্রেস।

এদিকে সিলেটের উদয়ন এক্সপ্রেস চট্রগ্রাম রেলষ্টেশনে আসতে না পারায় সিলেটের  উদ্দেশ্যে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস এই রেলস্টেশন ছেড়ে যেতে পারে নি বলে জানান তিনি।

নগরীর বিএনপির কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি চোখে পড়ে নি। নগরীর কোথাও মিছিল সমাবেশ কিংবা নাশকতার কোনো খবরও পাওয়া যায় নি। গ্রেপ্তার হওয়ার আতংকে নেতাকর্মীরা উপস্থিত হতে পারছে না।

আজ চট্রগ্রাম থেকে দূরপাল্লার কোনো যানবাহন ছেড়ে যায় নি। চট্রগ্রাম বন্দরে জাহাজ থেকে পণ্য উঠা-নামা করলেও যানচলাচল না করায় দূরপাল্লার কোনো ট্রাক ছেড়ে যায় নি। এদিকে বিমান চলাচল স্বাভাবিক ছিল বলে জানা গেছে।

চট্রগ্রাম পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মুনজুর মোর্শেদ বলেন, চট্রগ্রাম মহানগরীর কোথাও কোনো নাশকতার খবর পাওয়া যায় নি। নগরীতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও ফোর্স মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

কেএফ