ArthoSuchak
মঙ্গলবার, ৭ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

দাসত্ব সূচকে ভারত ১ম, বাংলাদেশ ৯ম

slavery

দাস সংখ্যার ক্রমে বাংলাদেশের অবস্থান ৯ম।

সারাবিশ্বে ৩ কোটি ৬০ লাখের মতো মানুষ দাসত্বের জীবনযাপন করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ দাস হিসেবে কাজ করছে ভারতে। দাস সংখ্যার এই ক্রমে বাংলাদেশের অবস্থান ৯ম।

অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশনের গ্লোবাল স্ল্যাভেরি ইনডেক্স-২০১৪ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈশ্বিক দাসত্ব সূচকের তথ্য মতে, বাংলাদেশে দাস হিসেবে জীবনযাপন করছে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার ৯০০ মানুষ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার দশমিক ৪৩৪৮ শতাংশ।

এতে আরও বলা হয়েছে, মোট জনসংখ্যার তুলনায় দাসের অনুপাতের দিক থেকে পৃথিবীর ১৬৭টি দেশের মধ্য শীর্ষে আছে মৌরিতানিয়া। এ ক্রমে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৯তম।

প্রতিবেদনা জানানো হয়, আধুনিক দাসত্বের ঝুঁকির তালিকায় এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দশম।

এতে জোরপূর্বক শ্রম দিতে বাধ্য করা বা জোরপূর্বক বিয়েতে বাধ্য করা, বাণিজ্যিকভাবে যৌন ব্যবসায় বাধ্য করা এবং বাল্যবিবাহের মতো বিষয়গুলোকে আধুনিক দাসত্ব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ।

প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশে ড্রাইড ফিস এবং চিংড়ি খাতকেও আধুনিক দাসত্বের সাথে সম্পৃক্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে সুনির্দিষ্টভাবে ইটভাটা, তৈরি পোশাক, শিল্পকারখানায় শ্রম দেওয়া এবং রাস্তায় ভিক্ষা করতে বাধ্য করা হয়।

আধুনিক দাসত্ব ঠেকাতে বাংলাদেশ সরকার অতটা সক্রিয় নয় উল্লেখ করে প্রতিবেদনে। এতে জানানো হয়, দাসত্ব নির্মূলে সরকারি প্রচেষ্টার বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান ৬০।

এ অবস্থার উত্তরণে যেসব আইন আন্তর্জাতিক এবং স্থানীয় নিয়োগ সংস্থাগুলোকে কর্মীদের ওপর ফি আরোপের সুযোগ দেয়, সেগুলো বিলোপ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

একইসাথে ভুক্তভোগী এবং প্রত্যক্ষদর্শী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দাসত্ব ঠেকানোর প্রশিক্ষণ প্রদান, আধুনিক দাসত্ব বন্ধ করতে সরকারি কর্মী এবং বিচার বিভাগকে নতুন আইনকাঠামোর সাথে সমন্বিত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া চিংড়িঘেরের কর্মীদের সুরক্ষায় জাতীয় চিংড়ি নীতিমালার বাস্তবায়ন এবং তদারক করার সুপারিশ করা হয়েছে।

চিংড়ি উৎপাদনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকক শ্রম মান বজায় রাখা হচ্ছে কি না- তা ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। এছাড়া ইটভাটার মতো খাতগুলোতে জোরপূর্বক শ্রম দিতে বাধ্য করা বন্ধ করতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সরকারের সাথে মিলে ব্যবসা বদলের মতো প্রকল্প গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ