গাজীপুর- ৪ আসনে ভোট ডাকাতির অভিযোগ

gazipur

gazipurদশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে ভোট ডাকাতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী ড. এম এম আনোয়ার হোসেন।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ভোট ডাকাতি ও গণতন্ত্রকে হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

জাতীয় পার্টির নেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘গাজীপুর-৪ আসনে মোট ৪১টি কেন্দ্রের ভোট গণনার পর তিনি এগিয়ে থাকায় ইউএনও এবং জেলা প্রশাসক অন্যায়ভাবে সেখানকার ভোট গণনা স্থগিত রাখেন। পরে তাদের নির্দেশে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং জাল ভোটের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।’

নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে- জাতীয় পার্টির এই বিবৃতির কথা উল্লেখ করে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টির যারা নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন তারা আওয়ামী লীগের সাথে সমঝোতা করেছেন। কিন্তু আমি তাদের সঙ্গে কোনো সমঝোতা করিনি।’

শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে এই নেতা বলেন, ‘তিনি এখন আর গণতন্ত্রের মানসকন্যা নন, তিনি হচ্ছেন গণতন্ত্রের সৎ মা। তৌফিক এলাহী, এইচ টি ইমামের মতো চাটুকার বামদের  কথা শুনে তিনি আওয়ামী লীগকে ডুবিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যদি ন্যূনতম স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই কাপাসিয়ার এই জালভোট বাতিল করে নতুন নির্বাচন দেবেন।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ৩০জনেরও অধিক কর্মীকে মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আর এ সময় আওয়ামী লীগের গুন্ডা বাহিনী ইচ্ছে মতো ভোট দিয়েছে নৌকা প্রতীকে। সে সময় জেলা প্রশাসক  থানার কর্মকর্তারা প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমিকে।

সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুর-৪ আসনের (কাপাসিয়া) গেজেট প্রকাশ না করার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে কাপাসিয়া উপজেলার জাতীয় পার্টির সদস্য অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, জহুরুল ইসলাম শামিম, মাহবুবুর রহমান প্রমুখ  উপস্থিত ছিলেন।

জেইউ/