অবরোধে স্থবির রংপুর; ককটেল বিস্ফোরণ-আগুন

Rongpur Hortal

Rongpur Hortalআঠারো দলের ডাকা ৭২ ঘন্টা অবরোধের দ্বিতীয় দিন আজ রংপুরে দফায় দফায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বিক্ষোভ হয়েছে। নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকায় রাস্তায় পেট্রোল ঢেলে ও টায়ারে আগুন দিয়ে অবরোধের চেষ্টা করেছে অবরোধ সমর্থকরা।

এদিকে খাবার ও ওষুধের দোকান ছাড়া অন্য দোকানপাট বন্ধ এবং দূরপাল্লার সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন হওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে রংপুর।

রোববার সকালে নগরীর দৈনিক দাবানল মোড় এলাকায় পরপর ৪টি ককটেল বিষ্ফোরণ করে পিকেটাররা। এসময় সেখানে সড়কের উপর টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এসময় বিভিন্ন পয়েন্টে ভাংচুর করা হয় অন্তত ৫টি অটোরিকশা।

আজ বেলা সাড়ে ১০ টায় জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক সামসুজ্জামান সামু, যুগ্ম-আহবায়ক শহিদুল ইসলাম মিজু, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমুল ইসলাম নাজু, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাহফুজ উন নবী ডনের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল শাপলা চত্ত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড় হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

হরতালের কারণে রংপুর মহানগরী ও আশেপাশে এলাকাগুলো খাবার ও ওষুধের দোকান ছাড়া সকল ধরনের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। নগরীতে রিকশা ও কিছু অটোরিকশা চলতে দেখা গেছে। ট্রেন সিডিউল বিপর্যয়ের মুখে পড়লেও চলাচল করছে। ব্যাংক, বীমা অফিস ও আদালতগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারির উপস্থিতি কম। কাজকর্মে দেখা গেছে স্থবিরতা।

এদিকে নগরীর মডার্ন মোড়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের উপর অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচী পালন করছে আঠারো দলীয় জোট। সকালে সেখানে জেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করছে।

জেলা গোয়েন্দা বিভাগের সিনিয়র উপ-পরিদর্শক শরিফুল ইসলাম জানান, দুপুর ১২টা পর্যন্ত রংপুরের কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে নি। আইনশৃংখলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় আছে।

এদিকে, কোতয়ালী থানার ওসি সৈয়দ সাহাবুদ্দিন খলিফা জানান, পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও বিজিবি জননিরাপত্তার জন্য মাঠে আছে। কেউ নাশকতা সৃষ্টি করতে চাইলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে।